নিজেদের নির্দোষ দাবি করলেন আবরার হত্যা মামলার ২২ আসামি

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:২৬ PM
আবরার ফাহাদ

আবরার ফাহাদ © ফাইল ফটো

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা মামলার ২২ আসামি আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন।

আজ মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেছেন তারা। এরপর আদালত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আগামীকাল বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে পুনরায় অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ১৪ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।

আরও পড়ুন: এনআইডি ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন চুক্তির সমালোচনা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নেয় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি।

আরও পড়ুন: ছাদ থেকে লাফিয়ে জবির প্রাক্তন শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ওই ঘটনায় চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৯ জন এবং তদন্তেপ্রাপ্ত আরও ছয়জন রয়েছেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন এবং এজাহারবহির্ভূত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারদের মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আটজন।

আরও পড়ুন: দশটি দৈনিক পত্রিকার ঘোষণাপত্র বাতিল

গ্রেফতার ২২ জন হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রাসেল, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু।

মামলার তিনজন আসামি এখনো পলাতক। তারা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত ও শেষের জন এজাহারবহির্ভূত আসামি।

২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় মোট ৬০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

পরকীয়ার দায়ে ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়কে অব্যাহতি
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
লিটনকে ঘিরে সুসংবাদ দিল বিসিবি
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
আয়নাঘরে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ: চীফ প্রসি…
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
জনতা ব্যাংকে নিয়মিত পদোন্নতির দাবি, পদবঞ্চনা দূরের আহ্বান ক…
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
বিশ্বকাপের ফাইনালের পর কালই কি মাঠে নামতে যাচ্ছেন মেসি?
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
বাড়ি ফেরা হলো না মায়ের সঙ্গে বাজারে যাওয়া হাফসার
  • ০১ আগস্ট ২০২৬