বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ও সৃজনশীলতার দ্বার হোক: রাষ্ট্রপতি

০৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৮:০৮ PM
সমাবর্তনে বক্তব্য রাখছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

সমাবর্তনে বক্তব্য রাখছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ © ফাইল ফটো

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় হলো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। যেখানে শিক্ষার্থীদের অন্তর্নিহিত মেধার সৃজনশীল বিকাশের সব আয়োজন নিশ্চিত করা হয়। কেবল পুঁথিগত বিদ্যা নয়, বরং দেশ-বিদেশের সর্বশেষ তথ্যসমৃদ্ধ শিক্ষা, গবেষণা এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের ধার যাতে এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উন্মোচন করা যায় সেভাবে কাজ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (০৫ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত চতুর্থ সমাবর্তনে সভাপতি হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ‘প্রকৌশল শিক্ষা যদিও হাতেকলমে, তবুও এখানেও সৃজনশীলতার প্রচুর সুযোগ রয়েছে। প্রকৌশলীদের জ্ঞানের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে যুগোপযোগী পাঠক্রম ও উন্নত পাঠদানের ব্যবস্থা থাকতে হবে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য ছাত্র-শিক্ষক বন্ধুত্বমূলক সম্পর্ক বজায় থাকা আবশ্যক। শিক্ষকদের হতে হবে স্নেহশীল ও অভিভাবকতুল্য। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার মহান উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে এবং একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখবে।’

এবারের সমাবর্তনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করা দুই হাজার ২৩১ জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হচ্ছে। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী।

সমাবর্তন উপলক্ষে গ্র্যাজুয়েটদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সবুজ চত্বর। প্রাণের ক্যাম্পাসে জীবনটাকে একটু উপভোগ করতে শত ব্যস্ততার মাঝেও ছুটে এসেছেন তারা। রেখে যাওয়া স্মৃতিগুলোকে মুহূর্তের জন্য ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বসিত গ্র্যাজুয়েটরা।

তিনি বলেন, ‘নানা চড়াই-উৎড়াই পেরিয়ে আজ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে সামনে রেখে একটি তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক জ্ঞাননির্ভর দেশ গঠনে ‘রূপকল্প ২০২১’ ও ‘রূপকল্প ২০৪১’ ঘোষণা করেছেন।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ’বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশ। এদেশে রয়েছে বিপুল মানবসম্পদ, উর্বর কৃষিখাত ও সম্ভাবনাময় প্রকৃতিকসম্পদ। জনবহুল এ দেশটিকে সমৃদ্ধশালী করতে হলে প্রয়োজন পরিকল্পিত উপায়ে সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার। প্রকোশলীরা হলেন উন্নয়নের কারিগর। তাদের মেধা-মননে প্রণীত হবে উন্নয়নের রূপরেখা।’

৩৬ জুলাই স্মরণে ইবি ছাত্রদলের ৩৬টি গাছের চারা রোপণ
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
বাবাকে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে বিসিএসে আবেদন, চূড়ান্ত হয়েও বাতি…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
৩৬ জুলাই স্মরণে ইবি শিক্ষার্থীর ৩৬ কিলোমিটার ম্যারাথন
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি নিয়োগ দেবে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী,…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
ডকুমেন্টারিতে ‘এক দফার ঘোষক’ ইস্যুতে প্রতিবাদ, মাহিন সরকারক…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
আমাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি হলেই ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬