রুয়েটে নারী নিপীড়নের অভিযোগ: বহিষ্কারের দাবিতে ক্লাস বর্জন

২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:১৩ PM , আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:১৩ PM
অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন

অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন © টিডিসি ফটো

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) নারী শিক্ষার্থী নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও ক্লাস বর্জন কর্মসূচি পালন করেছেন কম্পিউটার প্রকৌশল ও প্রযুক্তি (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন।

‎সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, রুয়েটের কম্পিউটার প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিভাগের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের ৯ জন শিক্ষার্থী একই বিভাগের নারী সহপাঠীদের বিভিন্নভাবে নিপীড়নে অংশ নেন। অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ, ইঙ্গিতপূর্ণ ও অশালীন মন্তব্য ও আক্রমণ চালানোর পাশাপাশি অনুমতি ব্যতীত গোপনে ছবি ধারণ করেছেন। এছাড়াও তাঁদের বিরুদ্ধে নারী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষিকা ও তাঁদের পরিবার নিয়েও কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে।

‎অভিযুক্ত ৯ জনই কম্পিউটার প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিভাগের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযুক্তরা হলেন- সুমন মজুমদার, আবিদ হাসান, সাদমান আহমেদ, মুহাম্মদ খুশবু নাহিদ, শারিকুল ইসলাম, বিত্ত সাহা, আরেফিন নওশাদ রাতুল, সরোয়ার জাহান তিয়াস ও ইরাম ওহিদ।

‎ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা প্রথমে বিভাগীয় প্রধান এবং পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করলে প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তবে অভিযোগ দায়েরের প্রায় তিন মাস অতিবাহিত হলেও তদন্তের ফলাফল প্রকাশ না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

‎এমতাবস্থায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের দাবিতে বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে মানববন্ধনে অংশ নেন। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, নিপীড়কদের বহিষ্কার থেকে রক্ষা করতে একটি প্রভাবশালী মহল ষড়যন্ত্র করছে। তারা আরও জানান, বিচারপ্রক্রিয়ার বিলম্ব এবং অভিযুক্তদের প্রকাশ্যে বীরদর্পে চলাফেরার কারণে ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

‎মানববন্ধন চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘নিপীড়কের ঠিকানা এই রুয়েটে হবে না’, ‘পোটেনশিয়াল রেপিস্টের ঠিকানা এই রুয়েটে হবে না’ প্রভৃতি স্লোগান দেন।

‎শিক্ষার্থীদের অবস্থানের প্রেক্ষিতে রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম সরকারসহ ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের কর্মকর্তারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা অভিযোগের তিন মাস পার হয়ে গেলেও বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশপূর্বক অভিযুক্তদের বহিষ্কারের দাবি জানান।

‎শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম সরকার আগামী শনিবারের মধ্যে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের আশ্বাস দেন। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের পাঠদানসহ সকল ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

‎আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, অভিযুক্তদের বহিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত সকল ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন তাঁরা।

এমপাসি যেন মানবপ্রাচীর, আবারও ফিরিয়ে দিলেন বেলিংহামকে
  • ০১ জুলাই ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬৯ শিক্ষার্থ…
  • ০১ জুলাই ২০২৬
ইংল্যান্ডকে চাপে রেখেই বিরতিতে ডিআর কঙ্গো
  • ০১ জুলাই ২০২৬
পবিপ্রবি নিয়োগ দেবে কর্মকর্তা-কর্মচারী, পদ ১২, আবেদন ২০ জুল…
  • ০১ জুলাই ২০২৬
অল্পের জন্য রক্ষা পেল ইংল্যান্ড, পোস্টে লেগে ফিরল উইসার শট
  • ০১ জুলাই ২০২৬
৪৬তম ও ৪৯তম বিসিএসে শিক্ষা, ৪৭তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডার ঢাবি…
  • ০১ জুলাই ২০২৬