উপরে ও বাঁ থেকে সাখাওয়াত সায়েম, মো. শামীম হোসেন, মো. আল জকি এবং মো. সাখাওয়াত হোসেন। নিচে ও বাঁ থেকে শাফিন ইকবাল দিহান, হাসিবুল হোসেন, খায়রুল শাওন এবং আনিসুর রহমান সিফাত © টিডিসি সম্পাদিত
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্তির পর আবারও নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। সংগঠনের শীর্ষ দুই পদে পদপ্রত্যাশী নেতাদের তৎপরতা যেমন বেড়েছে, তেমনি নতুন কমিটির সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক গুঞ্জন ও আলোচনা।
কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, খুব দ্রুতই নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠিত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিতর্কহীন, ক্লিন ইমেজধারী, দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগ থাকা এবং নিয়মিত শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হবে।
গত বছরের ২৭ অক্টোবর কৃষি বিভাগের মো. জাহিদ হাসানকে সভাপতি এবং ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সাইন্স বিভাগের হাসিবুল হাসান হাসিবকে সাধারণ সম্পাদক করে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের ৬০ সদস্যের প্রতিষ্ঠাকালীন আংশিক কমিটি প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।
তবে দায়িত্ব পালনের মাত্র দশ মাসের মাথায় চলতি বছরের ১৮ আগস্ট এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। শাখা ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, দীর্ঘদিন ধরে অন্তর্কোন্দল ও অসন্তোষ এবং দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিককে লাঞ্ছনা ও হেনস্তার ঘটনায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কমিটি বিলুপ্তি করে।
বর্তমানে ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক ধারাবাহিকতা রক্ষা, গতিশীলতা ফেরানো এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে দ্রুততম সময়ে নতুন কমিটি পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর অংশ হিসেবে গত ১৪ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হাসিবুল হাসান সজীব এবং যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিনুর ইসলাম শাহিন ক্যাম্পাস পরিদর্শনে আসেন। সফরকালে তাঁরা শাখা ছাত্রদলের বর্তমান পরিস্থিতি, সাংগঠনিক অবস্থা এবং সার্বিক পরিবেশ প্রত্যক্ষভাবে পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ তদন্ত সম্পন্ন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে গত ২১ অক্টোবর নোয়াখালীর মাইজদীস্থ নাইস গেস্ট হাউজে নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, নতুন কমিটিতে নেতৃত্বের আলোচনায় রয়েছেন নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি সাখাওয়াত সায়েম, সাবেক সহ-সভাপতি মো. শামীম হোসেন, সাবেক সহ-সভাপতি মো. আল জকি, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. সাখাওয়াত হোসেন, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাফিন ইকবাল দিহান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেন, সাবেক প্রচার সম্পাদক খায়রুল শাওন, সাবেক ছাত্রবৃত্তি ও কল্যাণ সম্পাদক আনিসুর রহমান সিফাত।
সাখাওয়াত হোসেন সায়েম
নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের আসন্ন কমিটিতে আলোচনায় রয়েছেন সংগঠনটির বিলুপ্ত কমিটির সহ-সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন সায়েম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। স্কুল জীবন থেকে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাথে সম্পৃক্ত বলে জানা যায়। তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় পটিয়া সরকারি কলেজে অধ্যয়নকালে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় দেখা যায় তাকে। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন। তাঁর বাবা আবু বক্কর ১৫নং ছনহরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ২০১৩ সালে হরতাল চলাকালে পুলিশের লাঠির আঘাতে তাঁর বাবার হাত ভেঙে যায় এবং পরবর্তী সময়ে তিনি পঙ্গুত্ব বরণ করেন। তাঁর সহোদর ভাই রিদুয়ান নাঈম ১৫ নম্বর ছনহরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি।
মো. শামীম হোসেন
নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের আসন্ন কমিটিতে শীর্ষ পদে পদপ্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সংগঠনটির বিলুপ্ত কমিটির সহ-সভাপতি মো. শামীম হোসেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নরত। ছাত্ররাজনীতির পাশাপাশি তিনি বহুমুখী সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। তিনি ‘নোবিপ্রবি ব্লাড ব্রিগেডের’ সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রক্তদান ও ফার্স্ট এইড প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। এছাড়া নোয়াখালী রেড ক্রিসেন্ট ইয়ুথ, ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ এবং প্রাণীকল্যাণমূলক কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সহায়তা, ভর্তি পরীক্ষার্থীদের হেল্পডেস্ক পরিচালনা, নবীনবরণ এবং ‘কমল পুতুল বইঘর’ প্রকল্পের মতো উদ্যোগে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
মো. আল জকি
নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের আসন্ন কমিটিতে শীর্ষ পদে আলোচনায় রয়েছেন বিলুপ্ত কমিটির সহ-সভাপতি মো. আল জকি। তিনি শিক্ষা বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই তিনি কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় ছাত্রদলের রাজপথের কর্মসূচিতে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন বলে জানা যায়। দলীয় রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়, সার্বিক কল্যাণ সাধন এবং ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন সময়ে বহুমুখী প্রশংসনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। বিপদে-আপদে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং ছাত্রদলের সাংগঠনিক ভিত্তি সুদৃঢ় করতে তাঁর এই দীর্ঘ মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বসুলভ মনোভাব তাঁকে শীর্ষ পদের অন্যতম শক্ত প্রার্থীর তালিকায় এগিয়ে রেখেছে।
মো. সাখাওয়াত হোসাইন
নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের আসন্ন কমিটিতে শীর্ষ পদপ্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় আছেন বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সাখাওয়াত হোসাইন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগ থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। ছাত্রজীবনের শুরুতে তিনি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার ৩নং কাকনী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েও তিনি ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে সমানভাবে সক্রিয় ছিলেন এবং সর্বশেষ নোবিপ্রবি ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটির ২নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর রাজনৈতিক পারিবারিক ইতিহাসও বেশ সমৃদ্ধ। তাঁর বাবা ৩নং কাকনী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ও তারাকান্দা থানা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য হিসেবে এবং তাঁর ছোট ভাই ৩নং কাকনী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি লেখালেখি ও সহ-শিক্ষা কার্যক্রমেও সক্রিয়। তাঁর প্রথম প্রকাশিত বইয়ের নাম ‘তবুও বাঁচতে হবে’।
মো. সাফিন ইকবাল দিহান
নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের আসন্ন কমিটিতে শীর্ষ পদে পদপ্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সংগঠনটির বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সাফিন ইকবাল দিহান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন (বিবিএ) বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছেন। ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মসূচি, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন, হেল্প ডেস্ক পরিচালনা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নেওয়া নানা কার্যক্রমে তাঁর সরব উপস্থিতি রয়েছে। এছাড়া দলীয় কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি ক্যাম্পাসের ফাঁকা সময়ে ক্ষুধার্ত প্রাণীদের খাবার দেওয়া বা বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমেও তিনি ও তাঁর অনুসারীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন।
হাসিবুল হোসেন হাসিব
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আসন্ন কমিটিতে শীর্ষ পদে আলোচনায় রয়েছেন বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেন হাসিব। তিনি ফিশারিজ এন্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রাজপথের আন্দোলনে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে দেখা যায় তাকে। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি টানা নয় মাস দায়িত্ব পালন করেন।
খায়রুল আমান শাওন
নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের আসন্ন কমিটিতে শীর্ষ দুই পদে পদপ্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিলুপ্ত কমিটির প্রচার সম্পাদক খায়রুল আমান শাওন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম সীমিত থাকায় জেলা শহরে স্বৈরাচারবিরোধী বিভিন্ন আন্দোলন ও কর্মসূচিতে অংশ নিতেন তিনি। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণ করেন। তাঁর জ্যেষ্ঠ চাচা মরহুম মহিউদ্দিন মজনু অশ্বদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন। তাঁর ছোট চাচা সাজ্জাদ হোসেন রিয়েল অশ্বদিয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আনিসুর রহমান সিফাত
নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের আসন্ন কমিটিতে শীর্ষ পদে পদপ্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সংগঠনটির বিলুপ্ত কমিটির ছাত্র বৃত্তি ও কল্যাণ সম্পাদক আনিসুর রহমান সিফাত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ক্যাম্পাস জীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা, ছাত্রকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংকটে পাশে থাকার মাধ্যমে তিনি সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে নিজের একটি সক্রিয় অবস্থান তৈরি করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নোবিপ্রবি ছাত্রদলের একাধিক কর্মী জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রেখে বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের কল্যাণে কাজ করে যাবে এমন কাউকে তারা শীর্ষ পদে দেখতে চান। তৃণমূল কর্মীদের মতে- একজন ক্লিন ইমেজধারী, শিক্ষার্থীবান্ধব ও আপোশহীন নেতা দায়িত্ব পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ছাত্রদলের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি আরও জোরদার হবে। একই সাথে বিগত স্বৈরাচারী শাসনের দিনে যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং নির্যাতন-উৎপীড়নের মুখোমুখি হয়েও সংগঠন আঁকড়ে ধরে রেখেছিলেন, তাদের যোগ্য মূল্যায়ন নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।