কুয়েট অধ্যাপকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

১২ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৪৮ PM
কুয়েট অধ্যাপকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

কুয়েট অধ্যাপকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন © টিডিসি ছবি

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলামের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কুয়েট ইইই পরিবার। আজ বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্বার বাংলা চত্বরে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে ইইই বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা একজন অধ্যাপকের ওপর সংঘটিত ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানান। একই সঙ্গে সরকার, পুলিশ প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. মনিরা ইসলাম বলেন, আজকে আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি আমাদের ইইই বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম স্যারের ওপর সংঘটিত ন্যাক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদ জানাতে।

ইইই বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক ড. আশরাফুল গনী ভূঁইয়া বলেন, এই ধরনের ঘটনা আমাদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করেছে। একজন শিক্ষকের কাজ শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা। এই হামলা আমাদের আতঙ্কিত করেছে। আমরা শঙ্কায় আছি, এই ধরনের ঘটনা যে কারও সঙ্গে ঘটতে পারে। আমরা দেশের সরকার ও প্রশাসনের কাছে নিরাপদে থাকার দাবি জানাচ্ছি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ বজায় রাখার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আমরা সরকার, প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, আমরা যেন নির্বিঘ্নে পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রেখে এই প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে পারি।

অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, আজকে যে ঘটনা ঘটে গেল, সেটা খুবই নিন্দনীয়। এটা পরিকল্পিত কি না, প্রশাসনকে তা খতিয়ে দেখতে হবে এবং হামলাকারীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

ইইই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. মাহবুব হাসান বলেন, পরিচয় গোপন রেখে এই ধরনের হামলার কোনো অসৎ উদ্দেশ্য থাকতে পারে। শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য শিক্ষকদের মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে হয়। কিন্তু এই ঘটনার পর আমি দেখছি শিক্ষকদের মাঝে অস্বস্তি বিরাজ করছে। একটি দেশের অন্যতম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সিনিয়র অধ্যাপকের ওপর এ ধরনের হামলা কাম্য নয়। তাই সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের ও প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করে দ্রুত দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার অনুরোধ করছি।

ইইই বিভাগের ‘২কে২০’ ব্যাচের শিক্ষার্থী তাহমিদুল হক তামিম বলেন, এ ধরনের হামলা একেবারেই অপ্রত্যাশিত। আজকে আমাদের শিক্ষকদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। কালকে আমাদের আরেকজনের ওপর হামলা করা হবে। এ ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।

আরেক শিক্ষার্থী আরাফাত নাদিব বলেন, শিক্ষকদের ওপর এ ধরনের হামলা ক্যাম্পাসের সার্বিক শিক্ষার পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। লেখাপড়ার জন্য একটি সুস্থ পরিবেশের প্রয়োজন। শিক্ষকদেরই যদি নিরাপত্তা না থাকে, তাহলে আমাদের নিরাপত্তা কোথায়? আমরাও আতঙ্কগ্রস্ত। সেজন্য দ্রুত এ ধরনের হামলার বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার জন্য বাসের অপেক্ষায় থাকার সময় খুলনার মুজগুন্নি আবাসিক এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন কুয়েটের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম।

সাভারে মসজিদের মাঠে প্রেশারকুকারে থাকা বোমাটি নিষ্ক্রিয় করল…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ফের আন্দোলনের ইঙ্গিত ককরোচ জনতা পার্টির
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
নিউমার্কেটে চাঁদাবাজি, এবার বহিষ্কার যুবদলের পাঁচ নেতা
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ডিআইএ কর্মচারী সমিতির সভাপতি সোহেল, সম্পাদক শাহপরান
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ঝালকাঠিতে পরীক্ষায় ৭ বিষয়ে ফেল, শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
অনন্য মাইলফলক ছোঁয়ার অপেক্ষায় মুশফিক
  • ১২ আগস্ট ২০২৬