রুয়েট © টিডিসি ফটো
তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর পৃথিবীর সাথে তালিয়ে পঠন-পাঠন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়া হয়। এর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাৎসরিক ফিও প্রদান করতে হয়। তেমনই রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সকল হলেই ইন্টারনেট সেবা চালু আছে। তবে রুয়েটের প্রতিটি হলে ধীর গতির ইন্টারনেট সেবার অভিযোগ উঠে আসছে দীর্ঘ দিন ধরে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শির্ক্ষাথীরা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি এ সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। মাঝে মাঝেই হলের ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যায়। আবার ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেও সেটি অত্যন্ত ধীর গতির। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা। এতে সংশ্লিষ্ট হলের শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক কাজ ও পাঠ্য কার্যক্রমসহ ইন্টারনেট সংশ্লিষ্ট কাজে ব্যাপক বিড়ম্বনার সম্মুখীন হচ্ছেন
এদিকে কিছু কিছু ডিপার্টমেন্টের ভবনগুলোতে মোবাইল ডাটা নেটওয়ার্কও অনেক দুর্বল। এমনকি সেখানে প্রয়োজনীয় এসএমএস, কল বা ইমেইল করার জন্য ন্যূনতম নেটওয়ার্কও পাওয়া যায় না ফলে শিক্ষার্থীরা প্রায়ই হয়রানির শিকার হন। ক্লাসে পাঠদানের সময় ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া না গেলে শিক্ষকগণ অনলাইন রিসোর্স ব্যবহার করে পাঠদান করাতে পারেন না। সমস্যা গুলোর দ্রুত সমাধান ও ধীর গতির ইন্টারনেট সেবার উন্নয়ন চান রুয়েট শিক্ষার্থীরা।
গত বছরের জুন-জুলাই মাসে বাংলাদেশ রিসার্চ এন্ড এডুকেশন নেটওয়ার্ক (বিডিরেন) কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক হলে ইন্টারনেট সুবিধা চালুর কথা থাকলেও নানান জটিলতায় এখন পর্যন্ত সেই সুবিধা চালু হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ কে ফজলুল হক হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, 'হলের ইন্টারনেট অনেক ধীর গতির। মাঝে মাঝে টানা ১ থেকে ২ দিন ইন্টারনেট থাকে না। সবচেয়ে বড় সমস্যা আবাসিক হলের রিডিং রুমে কোন ইন্টারনেট ব্যবস্থা নেই'।
এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় কম্পিউটার সেন্টারের প্রশাসক অধ্যাপক কামাল হোসেন বলেন, 'টেন্ডার বিষয়ক কিছু জটিলতার কারণে এতদিন কাজ আটকে ছিলো, সেটা সমাধান হয়েছে। আগামী মাস থেকে কাজ শুরু হবে। ইতোমধ্যে সরঞ্জামাদি কেনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।'