হলের ১০ শতাংশ কোটা ও ফল বাতিলের দাবিতে পাবিপ্রবির ৫ ছাত্রের আমরণ অনশন

০৯ আগস্ট ২০২৫, ০৬:২৪ PM , আপডেট: ১২ আগস্ট ২০২৫, ০৬:০৯ PM
অনশনে পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

অনশনে পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা © টিডিসি ফটো

‎পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) হলের সিট ১০ শতাংশ কোটা এবং জুলাই ৬ হলের ফলাফল বাতিলের দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছে ৫ ছাত্র। অনশনে বসা পাঁচ ছাত্র হলেন- বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মিকাইল হোসেন, গণিত বিভাগের তৌফিক হায়াত ওয়াসিন, একই বিভাগের সাখাওয়াত হোসাইন, সমাজকর্ম বিভাগের সোহেল রানা, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের আবু জিহাদ।

ছাত্রদের দাবি, গত ৬ আগস্ট জুলাই ২০২০-২১, ২০২১-২২, ২০২২-২৩, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রদের হলে ওঠার জন্য ফলাফল দেওয়া হয়। সেই ফলাফলে অনিয়ম এবং অস্বচ্ছতা ধরা পড়ে। এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাত্ররা সমালোচনা শুরু করলেও দুইদিনের মধ্যে হল প্রশাসন এর কোন সঠিক ব্যাখা দিতে পারেননি।

তারা আরও দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নীতিমালা তৈরি করে তাদের হাতে ১০ শতাংশ সিট রেখেছেন। ফলাফল প্রকাশের সময় সেই ১০ শতাংশ সিট তারা রাজনৈতিক দলগুলো এবং এক সমন্বয়কের মধ্যে বন্টন করেন। যার যারা সিট পাওয়ার যোগ্য ছিল তারা সিট থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

এই অবস্থায় তারা হল প্রশাসনের হাতে থাকা ১০ শতাংশ সিট এবং বিতর্কিত ফলাফল বাতিল করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সিট বন্টনের দাবিতে অনশনে বসেছেন।

আরও পড়ুন: হলে পচা ডিম-খিচুড়ি, ১৩ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

‎‎অনশনে বসা বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মিকাইল হোসেন বলেন, ‘আমরা এখানে অনশনে বসেছি মূলত আমাদের ন্যায্য দাবির জন্য। দ্বিতীয় মেধা তালিকাটি প্রকাশের পর সেখানে কিছু অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আমরা হলের ফলাফল প্রকাশের পর দেখতে পেয়েছি অনেক ভাইয়ের সিজিপিএ ভালো এবং আর্থিক অবস্থা খারাপ হলেও তারা সিট পায়নি। আবার দেখা গেছে অনেকের সিজিপিএ কম ও আর্থিক অবস্থা ভালো হলেও তারা হলে সিট পেয়েছে। এছাড়া ৫ই আগস্টের পর থেকে কোটা মুক্ত বাংলাদেশ হলেও প্রশাসনের জন্য সংরক্ষিত আসন ১০ শতাংশ রাখা হয়েছে। এই আসনগুলো সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দিয়ে দিক, যাদের বাসা দূরে, আর্থিকভাবে অসচ্ছল, বিশেষ করে যাদের বাবা নেই এবং যারা নিজেরাই টিউশনি করে পড়াশোনা করছে, তাদের মাঝে বণ্টন করা হোক এবং দ্বিতীয় মেধা তালিকাটি বাতিল করা হোক এবং নতুন করে মেধা তালিকা দিতে হবে।’

‎গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াসিম বলেন, ‘আমি জুলাই ৬ হলে আবেদন  করেছিলাম। আমার ব্যাচের ১১ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছিলো। এর মধ্যে ৮ জনকে সিট দেওয়া হয়। আমি আশাবাদী ছিলাম যে আমি হলে সিট পাবো। কারণ, দূরত্বের দিক দিয়ে এবং আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আমি আসলেই সিট পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু যখন রেজাল্ট দেখলাম তখন ৮ জনের মধ্যে আমি আমার নাম খুঁজে পেলাম না। আমি দেখতে পেলাম এই ৮ জনের মধ্যে দলীয়করণের ভিত্তিতে চার থেকে পাঁচ জন সিট পেয়েছে । অনেকের বাবা সরকারি চাকরিতে আছে, কারও বাবা এসআই আবার কারও বাবা শিক্ষক। সিট যাদেরই দিক ন্যায্যতার ভিত্তিতে দিক এটাই আমার দাবি। আমি অনশনে বসেছি যাতে সিটগুলো ন্যায্যতার ভিত্তিতে দেওয়া হয় । তাতে আমি সিট পাই বা না পাই আমার কোনো আপসোস নেই । আমার ৬ ভাই বোন। বাবা স্বল্প আয়ে আমাদের পরিবার চালান । এজন্য আমার পাশে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ করছি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জুলাই ৬ হলের প্রভোস্ট ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবোনা। ভিসি স্যার ঢাকায় আছেন, উনি আসলে সিদ্ধান্ত জানাবেন।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আবদুল-আওয়ালকে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কল্পনাও করিনি গানটি এত সমাদৃত হবে— দাঁড়িপাল্লার গান নিয়ে যা…
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
ইউআইইউতে টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
আইইউবিএটির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্…
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
ডিআইএমএফএফ ও ইনফিনিক্সের উদ্যোগে ‘প্রাউড বাংলাদেশ’ মোবাইল ফ…
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপির দেশ গড়ার পরিকল্পনা শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা চট্টগ্…
  • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9