ইউজিসি চেয়ারম্যান
স্বাধীনতা পরবর্তী দেশের যে উন্নতি হয়েছে তা বহির্বিশ্বে এখনো সেভাবে তুলে ধরা হয়নি এবং পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষই তা জানে না। দু:খজনক হলেও সত্য মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরত্বের আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের মেঘালয়, আসামের অধিকাংশ মানুষই আমাদের সম্পর্কে তেমন কিছুই জানে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্না
ভারতের মেঘালয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সম্মানসূচক ডিগ্রী ডি. লিট এ ভূষিত হওয়ায় অধ্যাপক আবদুল মান্নানকে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। শনিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে এ সংবর্ধনা প্রদান করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করছি ভারতের আসাম, মেঘালয় এবং তার পার্শ্ববর্তী প্রদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি এবং আমাদের দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সেমিনার আয়োজন করার যার মাধ্যমে তারা আমাদের ব্যাপার গুলো জানতে পারবে। ইউজিসি কর্তৃপক্ষ শিক্ষকদের ব্যাপারে খুবই আন্তরিক। আমি নিজেও শিক্ষক ছিলাম এবং আমার একমাত্র মেয়ে সেও শিক্ষক। তাই শিক্ষকদের যত ধরনের দাবি আছে আমরা পূরণ করার চেষ্টা করছি। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ খাতে অর্থ সহায়তা দ্বিগুণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মান উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইলিয়াস উদ্দিন বিশ্বাস, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ হাসানুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মাজহারুল হাসান মজুমদারের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, এপ্লায়েড সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবুল মুকিত মোহাম্মেদ মোকাদ্দেছ, শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউনুস, অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুল আলম, অধ্যাপক ড. কবির হোসেন, সেন্টার অব এক্সিলেন্সের পরিচালক অধ্যাপক ড. আখতারুল ইসলাম,, অধ্যাপক ড. কবির হোসেন সিনিয়র অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম, স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশনের ডিন অধ্যাপক মোছাদ্দেক আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিশ্বমানে উন্নীত করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ জন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ জানান।