শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন © টিডিসি ফটো
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাগুলো সমন্বিতভাবে আয়োজনের বিষয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং ভর্তি কার্যক্রম শুরুর আগেই সরকারের সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
বুধবার (১ জুলাই) ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আমরা ভিসিদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। এগুলো নীতিগত বিষয়। ভর্তি শুরুর আগেই আপনারা দেখতে পাবেন আমরা কী ধরনের সমন্বয় করছি।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, এসএসসি পরীক্ষার তারিখ আমরা অনেক আগেই স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে ঘোষণা করেছি। তখনও বলেছিলাম, যদি স্টেকহোল্ডারদের পক্ষ থেকে পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন হয়, সেটিও আমরা দেখব। কিন্তু আমরা দেখেছি, সবাই একমত হয়েছেন। সে কারণেই ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ২৬ জানুয়ারি থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন: এইচএসসিতে মোট পরীক্ষার্থীর অর্ধেকেরও বেশি মানবিকে, এগিয়ে মেয়েরা
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিনও আমরা প্রায় দেড় বছর আগেই প্রকাশ করেছি, যাতে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে প্রস্তুতি নিতে পারে। একইভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাগুলোও আমরা এমনভাবে সমন্বয় করার চিন্তা করছি, যাতে কোনো ধরনের সেশনজট সৃষ্টি না হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব। ইনশাআল্লাহ, ফল প্রকাশের পর আমাদের কর্মসূচি কী হবে, সেটিও আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।’
পরীক্ষা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরীক্ষা সংক্রান্ত কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হলে তা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।