অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা পেতে যাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা বাড়ল

১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৩৫ AM , আপডেট: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৩৭ AM
অবসর সুবিধা বোর্ড

অবসর সুবিধা বোর্ড © ফাইল ছবি

দশকের পর দশক হাজারো শিক্ষার্থীকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ করার পর একজন শিক্ষক অবসরে যান। জীবনের শেষ সময় একটু ভালোভাবে কাটানোর জন্য নিজের সঞ্চিত অবসরের টাকা ভরসা তাদের। কিন্তু এ টাকা সময়মতো ফেরত না পাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছিল তাদের। অবশেষে সেই ভোগান্তি কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি সরকার। উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে এ সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার।

বুধবার (১২ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) দুটি সূত্র দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নানা বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ দিতে সম্মতি দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ১ লাখ ২৩ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ দেওয়া হবে। অবসর সুবিধা বোর্ডের অর্থ পাবেন ৭০ হাজার ১১৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী। আর কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ পাবেন ৫৩ হাজার ৪৭৭ জন আবেদনকারী। আগামী শনিবার (১৫ আগস্ট) অর্থ বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধামন্ত্রী তারেক রহমান।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আবেদনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য মোট সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। অবসর সুবিধার প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা করে পাবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। আর কল্যাণ ট্রাস্টের ২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা পাবেন।

জানা গেছে, শিক্ষকদের চাঁদা, ব্যাংকে জমা থাকা টাকার সুদ এবং মাঝেমধ্যে সরকারের দেওয়া থোক বরাদ্দ ও বন্ড সুবিধার ভিত্তিতে এই টাকা দেওয়া হয়। অবসরসুবিধার জন্য চাকরিকালীন শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের ৬ শতাংশ প্রতি মাসে কেটে রাখা হয়। কল্যাণসুবিধার জন্য কাটা হয় আরও ৪ শতাংশ। ২০১৯ সাল পর্যন্ত এই হারে চাঁদা নেওয়া হয়েছে। এর আগে অবসরসুবিধার জন্য ৪ শতাংশ এবং কল্যাণসুবিধার জন্য ২ শতাংশ হারে চাঁদা নেওয়া হতো।

এ ছাড়া প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বছরে ১০০ টাকা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৭০ টাকা অবসরসুবিধা ও ৩০ টাকা কল্যাণসুবিধা তহবিলে জমা হয়। বাকি অর্থ সরকার এবং জমা করা অর্থের সুদ থেকে সমন্বয় করা হয়।

সূত্রমতে, সর্বোচ্চ গ্রেডে অর্থাৎ অধ্যক্ষদের ক্ষেত্রে অবসরসুবিধা হিসেবে মোট প্রায় ৩৮ লাখ টাকা পাওয়া যায়। এর মধ্যে চাঁদার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা। কল্যাণসুবিধা হিসেবে একজন অধ্যক্ষ মোট ২০ লাখের বেশি টাকা পান। অন্যদিকে মাধ্যমিকের একজন সহকারী শিক্ষক অবসরসুবিধা হিসেবে পান প্রায় ১৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে চাঁদার পরিমাণ প্রায় ২ লাখ টাকা। আর একজন সহকারী শিক্ষক কল্যাণসুবিধা হিসেবে মোট প্রায় পৌনে ৭ লাখ টাকা পান। এর মধ্যে চাঁদার পরিমাণ প্রায় ৭৭ হাজার টাকা। কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এই টাকা আরও কম।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দুই প্রতিষ্ঠানের সূত্র জানিয়েছে, মূলত এখন দুই প্রতিষ্ঠানে যে টাকা জমা আছে, তা দিয়েই এই আংশিক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

‘রেড কার্ড টু বিএনপি-আইজেশন’ স্লোগানে শিক্ষক নিয়োগে দলীয়করণ…
  • ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিএ ফার্মে এক্সিকিউটিভ ফাইন্যান্স পদে জনবল নিয়োগ
  • ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভোরের নীরবতায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দেখা মিলল …
  • ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
একাধিক মামলার সাজা একসঙ্গে চলার সুযোগ নেই: হাইকোর্ট
  • ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের কোন চাকুরি হবেনা: ছাত্রদল নেতা হ…
  • ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দ্য স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা, অংশ নি…
  • ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬