শিক্ষা মন্ত্রণালয় © ফাইল ছবি
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। তবে দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও এখনো তাদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, এনটিআরসিএর পাঠানো চিঠির বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে আইন কর্মকর্তার মতামত চাওয়া হয়েছে। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো মতামত পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি এক প্রকার স্থবির হয়ে রয়েছে।
সূত্র বলছে, ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের বিষয়ে এনটিআরসিএ যে চিঠি পাঠিয়েছে, সেখানে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ সুপারিশের সুযোগ নেই। এজন্য বিষয়টি সম্পর্কে মতামত দিতে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এনটিআরসিএ থেকে পাঠানো চিঠিতে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের বিধিতে সনদের মেয়াদ তিন বছর এবং প্রার্থীদের বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ বছর উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিধি অনুযায়ী ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে না।’
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘শুধু বিধিই নয়; ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ দেওয়ার পূর্বে ১৯টি মামলা নিষ্পত্তি হতে হবে। এই মামলাগুলো এখনো চলমান। মামলা চলমান রেখে প্রার্থীদের নিয়োগ সুপারিশ করা সম্ভব হবে না। ফলে ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের নতুন করে নিয়োগ দিতে হলে শিক্ষামন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা দরকার হবে।’
শিক্ষামন্ত্রী যা বললেন
সম্প্রতি রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ১-১২তম নিবন্ধনধারীরা এখনো চাকরির জন্য ঘুরছেন। তাদের বয়স হয়ে গিয়েছে ৫০ বছর। তারা যদি কোয়ালিফাইড হতো তাহলে অন্য কোথাও তো কিছু করতে পারতো। তারপরও চেষ্টা করছি তাদেরকে আবার রি-এক্সামিন দিয়ে অ্যাকমোডেট করা যায় কিনা।