পাঠ্যবইয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের অধ্যায় যুক্ত করার চিন্তা

২৮ অক্টোবর ২০২৪, ১২:০০ PM , আপডেট: ২১ জুলাই ২০২৫, ১১:৪০ AM
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন © ফাইল ছবি

২০১২ সালের শিক্ষাক্রমের আলোকে পাঠ্যবই পরিমার্জন করছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এরপর নতুন বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এরমধ্যে একাধিক বইয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে অধ্যায় যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ। তবে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি।

এ বিষয়ে সোমবার (২৮ অক্টোবর) সকালে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম রিয়াজুল হাসান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে অধ্যায় যুক্ত করার বিষয়টি আলোচনায় আছে। তবে এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ভালো মানসম্মত লেখা পেলে যুক্ত করা হবে। সে জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের প্রয়োজন পড়বে। তবে অভ্যুত্থানের কিছু অংকন বিভিন্ন বইয়ে স্থান পেয়েছে।

তিনি বলেন, কিছু বই ছাপানোর কাজ পেয়েছিল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান। তবে এ নিয়ে সমালোচনা হওয়ায় তাদেরকে বাদ দিয়ে দেশি মুদ্রণখানাগুলোকে বই ছাপার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বই ছাপার কাজে ১৮টি স্লটে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ছিল। সেগুলো বাতিল হয়েছে। তাদেরকে বাতিল করার পরে পুনরায় দরপত্র বিজ্ঞপ্তি (টেন্ডার) দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সব দেশি প্রতিষ্ঠান কাজ পেয়েছে।

এনসিটিবি চেয়ারম্যান বলেন, ২০১২ সালে প্রণীত শিক্ষাক্রমের আলোকে আগামী বছরের পাঠ্যবই পরিমার্জনের কাজ করছে এনসিটিবি। ইতিমধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির বই ছাপার জন্য প্রেসে পাঠানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য শ্রেণির বইও যাবে। আশা করছি, ডিসেম্বরের মধ্যে সব বইয়ের কাজ সম্পন্ন হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, জানুয়ারি মাসেই শিক্ষার্থীদের হাতে পরিমার্জিত পাঠ্যবই পৌঁছানোর। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন বই দিতে বলা হয়েছে ছাপার কাজে যুক্ত থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

আরো পড়ুন: নতুন বই ছাপছে দেশীয় মুদ্রণখানা, বাদ গেলো ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

জানা গেছে, দায়িত্ব নেয়ার পর নতুন শিক্ষাক্রম বা জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা-২০২১ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০২৫ সালে পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করে ২০২৬ সাল থেকে তা কার্যকর করা হবে। তার আগে ২০২৫ সালে শিক্ষার্থীদের জন্য ২০১২ সালের শিক্ষাক্রমের বই পরিমার্জন করে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

প্রতিবছর স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমিক পর্যায়ের ১ কোটি ৮৯ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য ২৩ কোটি কপি বই ছাপায় এনসিটিবি। তাদের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, মে-জুন মাসে বইয়ের পাণ্ডুলিপি প্রুফ রিডারদের দেখানোর কথা ছিল। তবে এবার সেপ্টেম্বরে বই সংশোধনের ঘোষণা এসেছে। এতে আগামী বছরের শুরুতে নতুন বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়। যদিও জানুয়ারি মাসেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন এনসিটিবি কর্মকর্তারা।

‘আরও আনন্দ দেব’, নকআউটের টিকিট নিশ্চিত করে বললেন মেসি
  • ২৩ জুন ২০২৬
বিশ্বমঞ্চে দুই দশকের মহাকাব্য: ফিরে দেখা ৩৯ ছুঁইছুঁই মেসির …
  • ২৩ জুন ২০২৬
এক রাতে যত গিনেস রেকর্ডে নাম লেখালেন মেসি
  • ২৩ জুন ২০২৬
রেকর্ডের পর রেকর্ড মেসির দখলে, বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস
  • ২৩ জুন ২০২৬
পেনাল্টি মিসের পর প্রচণ্ড রাগ হয়েছিল, বলছেন মেসিই
  • ২৩ জুন ২০২৬
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫
  • ২৩ জুন ২০২৬