ষষ্ঠ-সপ্তম শ্রেণির চার বইয়ে ১৮৮ ভুল

২০ এপ্রিল ২০২৩, ০৮:২৫ AM , আপডেট: ২১ আগস্ট ২০২৫, ১০:২৪ AM
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড © ফাইল ফটো

নতুন শিক্ষাক্রমের যষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির চারটি পাঠ্যবইয়ে ১৮৮ টি ভুল ও ৫৮টি অসঙ্গতি পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাত সদস্যবিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ কমিটি। এসব ভুল সংশোধনের সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে  প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি।

এর মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান (অনুশীলন) বইয়ের ৮৭ পৃষ্ঠায় ‘চাঁদ ও সূর্যের পালা’ শিরোনামের নিবন্ধে লেখা ‘অভিশপ্ত চাঁদ’ সংশোধন করে ‘চাঁদের গল্প’ নাম দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া একই শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের ৮ পৃষ্ঠার ১৩ নম্বর পঙ্‌ক্তিতে ‘ততদিনে বালক মুজিব পরের জন্য খাটায় উৎসাহ পেয়ে গেছে’ এর পরিবর্তে ‘ততদিনে বালক মুজিব মানুষের জন্য কাজ করার উৎসাহ পেয়ে গেছে’; সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ে ১১২ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘মুখে গোঁফদাড়ির জঙ্গল’ এর পরিবর্তে ‘মুখে গোঁফদাড়ি’ পড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

এনসিটিবি বলছে, বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশসহ ৫টি উপায়ে এবারের বইগুলোর ভুলত্রুটি ও অসঙ্গতি তুলে আনা হয়েছে। ঈদের পর স্কুল খোলার আগেই যেসব ভুলত্রুটি সংশোধন করা প্রয়োজন, তা শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে পাঠানো হবে। পরে তারা শ্রেণিশিক্ষকদের মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর পাঠ্যপুস্তকে এ ত্রুটিগুলো সংশোধন নিশ্চিত করবেন। এ ছাড়া আগামী বছরের বইয়ে তা পরিমার্জন করে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

বিশেষজ্ঞ কমিটির জমা দেওয়া প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ষষ্ঠ শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ে আছে ১০টি অসংগতি ও ২৫টি ভুল, সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ে ৪টি অসংগতি ও ৫০টি ভুল এবং ‘বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ’ বইয়ে ৩৫টি অসংগতি ও ৯০টি ভুল রয়েছে। একই শ্রেণির ‘বিজ্ঞান অনুশীলন পাঠ’ বইয়ে ৯টি অসংগতি ও ২৩ ভুল চিহ্নিত করা হয়েছে। ভুলগুলোর মধ্যে বানান ভুলের পরিমাণই বেশি। এর মধ্যে কোনো কোনো শব্দের বানান একাধিকবার ভুল করা হয়েছে।

এনসিটিবি সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. মশিউজ্জামান বলেন, চলতি বছর পাঠ্যপুস্তকে যেসব ভুল-ত্রুটি সংশোধন করা প্রয়োজন, তার একটি তালিকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে পাঠানো হবে। প্রতিষ্ঠানপ্রধানেরা ঈদের পর পাঠদান শুরু হলেই সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শ্রেণিশিক্ষকের মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর পাঠ্যপুস্তকে ভুল-ত্রুটিগুলোর সংশোধন নিশ্চিত করবেন। আর আগামী বছর তা পরিমার্জিত পাঠ্যপুস্তক হিসেবে বিতরণ করা হবে।

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্তে বৈঠক ডেকেছেন তারেক রহমান
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
মারা গেলেন চীনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
পরিবহন সংকট কাটাতে পবিপ্রবিতে আসছে বিআরটিসির বাস
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা সরকারের
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যা বললেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
বাবাকে নিয়ে মেসির আবেগী পোস্ট
  • ১২ আগস্ট ২০২৬