সরকারি লোগো © ফাইল ছবি
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সংশোধিত বদলি নীতিমালা আজ রবিবার প্রকাশ হচ্ছে না। যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দিনভর বদলির সংশোধিত নীতিমালা জারির গুঞ্জন চললেও আজ নীতিমালা জারির কোনো সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
রবিবার সকাল থেকে ফেসবুকের একাধিক গ্রুপে খবর ছড়িয় পড়ে যে আজ দুপুরের পর অথবা সন্ধ্যায় বেসরকারি শিক্ষকদের বদলির সংশোধিত নীতিমালা জারি হবে। মূলত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি মাধ্যমিক শাখার নাম ব্যবহার করে ফেসবুকের গ্রুপগুলোতে এ সংক্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে পড়লে বদলির অপেক্ষায় থাকা কয়েক লাখ শিক্ষকের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে। তথ্যের সত্যতা জানতে অসংখ্য শিক্ষক দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের অফিস এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদককে কল করেন।
এ বিষয়ে আজ রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বদলির সংশোধিত নীতিমালার ফাইল উপদেষ্টার দপ্তরে রয়েছে। সেটি এখনো ডাউন (নিচে) হয়নি। ফলে সংশোধিত বদলি নীতিমালা আজ জারির কোনো সম্ভাবনা নেই।’
এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি সফটওয়্যার তৈরির চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের মধ্যে এ সংক্রান্ত চুক্তি সম্পন্ন হয়।
মাউশির একটি সূত্র জানিয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি সফটওয়্যার তৈরি হলেও সংশোধিত নীতিমালা জারি হয়নি। নীতিমালা জারি না হওয়া পর্যন্ত বদলি সফটওয়্যার তৈরির কার্যক্রম শুরু করা যাবে না। এজন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। নীতিমালা জারির পর সফটওয়্যারর তৈরির কাজ শুরু হবে।
জানা গেছে, এনটিআরসিএর সুপারিশে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের আগে বদলির কোনো সুযোগ ছিল না। প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করে তারা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সুযোগ পেতেন। প্রথম থেকে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি পর্যন্ত ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা এই সুযোগ পেলেও চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের আবেদন করার সুযোগ বন্ধ করে দেয়।
পরবর্তীতে শিক্ষকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বদলি চালুর উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এজন্য একটি বদলি নীতিমালাও প্রণয়ন করা হয়। তবে শিক্ষকদের এক পক্ষের রিট, সফটওয়্যার প্রস্তুত না হওয়া, নীতিমালা সংশোধনসহ একাধিক কারণে এখনো বদলি কার্যক্রম শুরু হয়নি। এ অবস্থায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন শিক্ষকরা।