বিচার সালিসে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে এক মাদ্রাসা শিক্ষিকা ও তার বাবাকে জুতা ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছেন ইছাপুরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার মো. রফিকুল ইসলাম। ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি মাহিলা মাদরাসার আরবি বিভাগের শিক্ষিকা।
শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দিকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় শিয়ালদি গ্রামের আব্দুল জব্বারের বাড়িতে বিচার সালিসে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শিক্ষিকা শনিবার রাতে বাদি হয়ে সিরাজদিখান থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষিকা বলেন, ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম বিচারের সময় আমার বৃদ্ধ বাবাকে লাঠি ও জুতা দিয়ে মারধর করে এতে বাধা দিয়ে আমি এগিয়ে গেলে আমাকেও সবার সামনে জুতা দিয়ে মারধর করেন।
স্থানীয়রা জানান, শিয়ালদী গ্রামের মৃত আরোজ আলী দেওয়ানের ছেলে জাবেদ দেওয়ানের সঙ্গে পুকরের জায়গার মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী শিক্ষিকার বাবা মো. আজিজুল হক (৬৫) এর সাথে বিরোধ চলছিল। শিক্ষিকার বাবা মো. আজিজুল হক তার নিজের রের্কডিয় পুকুরে মাটি কাটলে ওই পুকুরে ক্রয় সূত্রে মালিক দাবি করে জাবেদ দেওয়ান পুকুর থেকে মাটি কাটতে চাইলে এই নিয়ে শনিবার রাতে বিচার সালিস ডাকা হয়।
এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মো. আব্দুল জাব্বার বলেন, আজিজুল হককে মেম্বার রফিকুল ইসলাম মারধর করতে থাকলে মেয়ে শিক্ষিকা শারমিন আক্তার এগিয়ে গেলে তাকেও জুতাপেটা করে ইউপি সদস্য।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষিকা শারমিন আক্তার খাদিজা আমাকে জুতা নিয়ে উঠেছে, পরে আমি তাকে ধাক্কা দিয়েছি। এটুকুই।
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদউদ্দিন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।