চাকরি স্থায়ী করার দাবিতে লাগাতার অবস্থানে সেকায়েপ শিক্ষকরা

০৬ মার্চ ২০২০, ০২:০৬ PM
একই দাবিতে গত সোমবার 
জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষকদের মানববন্ধন

একই দাবিতে গত সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষকদের মানববন্ধন © ফাইল ফটো

চাকরি স্থায়ী করার দাবিতে আন্দোলত অব্যাহত রেখেছেন সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্টের (সেকায়েপ) আওতায় নিয়োগ পাওয়া অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষক (এসিটি) ঐক্য পরিষদ। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পঞ্চম দিনের মতো সকাল-সন্ধ্যা অবস্থান করছেন তারা।

আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করেন তারা। বক্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সুপারিশ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আশ্বাসের পরও ২৬ মাস ধরে বিনা বেতনে পড়াচ্ছেন তারা। কিন্তু তাদের চাকরি স্থায়ী করা হয়নি।

এসময় সংগঠনের সভাপতি রুহুল আমিন বলেন, অভিজ্ঞতা ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বিশেষ অবদান এবং মানবিক দিক বিবেচনা করে চাকরি স্থায়ী করা, বিনাশর্তে দ্রুত এসইডিপি প্রোগ্রামে আমাদের নেওয়া হোক। আমাদের দাবি না মানলে এ অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

বক্তারা বলেন, ২০১৫ সাল থেকে আকর্ষণীয় বেতনে তিন বছর মেয়াদে নিজ জেলার সর্বোচ্চ মেধাবীদের সেকায়েপ প্রকল্পের অধীনে পাঁচ হাজার দুশ’ জন অতিরিক্ত বিষয়ভিত্তিক শ্রেণি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে মডেল শিক্ষক হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার পাশাপাশি প্রকল্প শেষে চাকরি স্থায়ী করার কথা উল্লেখ করা হয়। কিন্তু  স্থায়ী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না।

তারা আরও বলেন, এসিটি ম্যানুয়েল ৩৬ ধারায় ও এসিটি সফল কমপোনেন্ট হিসেবে বিনাশর্তে পরবর্তী প্রোগ্রামে স্থানান্তরের কথাও বলা হয়। কিন্তু পরে তার কোনোটাই রক্ষা করা হয়নি।

বাংলাদেশ অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষক ঐক্য পরিষদ আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোজাহারুল ইসলাম ও অন্য অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
রান্নাঘর ঝাড়ু দেওয়ার সময় সাপের কামড়ে তরুণীর মৃত্যু
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
কেয়ার বাংলাদেশে চাকরি, আবেদন ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
ইবির ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন, উপস্থিতি ৯২ শতাংশ
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
রাতের অন্ধকারে আক্রমণ করেছে হাম, আমরা অ্যারেস্ট করতে সক্ষম …
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
মেহেরপুরে জিয়া খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬