ফেসবুক © ফাইল ফটো
বাংলাদেশের দুটি গ্রুপ হ্যাকিংয়ের কাজ করে বলে এক ব্লগ পোস্টে জানিয়েছে ফেসবুক। একটি হচ্ছে 'ডন'স টিম' — যা 'ডিফেন্স অব নেশন' নামেও পরিচিত। অন্যটি হলো 'ক্রাইম রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস ফাউন্ডেশন' (সিআরএএফ)।
ভিয়েতনামের একটি গ্রুপের নামও উল্লেখ করেছে ফেসবুক, যার নাম 'এপিটি-৩২'।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, বাংলাদেশভিত্তিক হ্যাকার গ্রুপটি স্থানীয় বিভিন্ন কর্মী, সাংবাদিক, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও বিদেশে অবস্থানরত ব্যক্তিদের টার্গেট করে এবং তাদের অ্যাকাউন্ট ও পেজ হ্যাক করে। শুধু তাই নয়, হ্যাক করা এসব অ্যাকাউন্ট ও পেজ নিজেদের সুবিধার্থে ব্যবহারও করেছে তারা।
এ ধরনের হ্যাকিংয়ের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের সবার অ্যাকাউন্ট ও পেজ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, "আমরা আমাদের অংশীদারদের সঙ্গেও এসব হ্যাকারদের বিষয়ে তথ্য শেয়ার করেছি, যেন তারাও সতর্ক হতে পারে।"
কিন্তু ক্রাইম রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস ফাউন্ডেশনের সভাপতি জেনিফার আলম বলছেন, তারা কোনো আইডি বা পেজ হ্যাক করেন না, বরং সাধারণ মানুষকে তথ্য সেবা দিয়ে থাকেন।
জেনিফার বলছিলেন, 'যখন কেউ আমাদের পেজে জানায় তার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে তখন আমরা তাদের জানাই ফেসবুকের মাধ্যমে কীভাবে তারা অ্যাকাউন্ট বা পেজটি উদ্ধার করতে পারে। যদি তদন্তের দরকার হয় তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীর বাহিনীর সাথে আমরা তাদের যোগাযোগ করিয়ে দেই।'
ফেসবুকে লাখ লাখ পেজ বা অ্যাকাউন্ট থাকতে তাদের পেজটিকেই কেন হ্যাকার হিসেবে চিহ্নিত করলো ফেসবুক কর্তৃপক্ষ- এমন প্রশ্নে জেনিফার আলম বলেন, 'এর দুটি কারণ থাকতে পারে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর মাধ্যমে যদি তারা এই কাজটি করে তাহলে মিসলিড হয়েছে, নয়তো অন্য কোনো গ্রুপ গোপনে হ্যাকিংয়ের কাজ করছিলো যার শিকার আমরা হয়েছি। আমরা একটা অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট দেব ফেসবুককে। কারণ এতে আমাদের সম্মানহানি হয়েছে। আর আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তারা আমাদের সাথে কথা বা যোগাযোগ না করে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারে না। ফেসবুক সেটাই করেছে।'
এদিকে অপর গ্রুপ ডন'স টিমের কারো সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।