আমজাদ হোসেন হৃদয় এবং বইয়ের প্রচ্ছদ © ফাইল ফটো
করোনা মহামারীতে নিজের লেখা নিবন্ধ গ্রন্থ ‘সমাজ দর্পণ’ বিক্রির টাকা দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আমজাদ হোসেন হৃদয়। তিনি আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের আবাসিক ছাত্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এমন ঘোষণা দেন তিনি।
আমজাদ হোসেন হৃদয় বলেন, আমরা লেখা নিবন্ধ গ্রন্থ সমাজ দর্পণ ইতিমধ্যে ই-বুক তথা পিডিএফ আকারে প্রকাশিত হয়েছে। যে বইটি সমাজের নানান সমস্যা, সমাধান ও সম্ভাবনা নিয়ে লিখেছি। প্রথম আলো, ইত্তেফাক, যায়যায়দিনসহ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় আমার লেখাগুলো প্রকাশিত হয়েছে। সেসব নিবন্ধ থেকে বেস্ট নিবন্ধগুলো নিয়ে আমার এ বই। আমি বড় কোনো লেখক নয়, একজন তরুণ লেখক নিয়মিত শিখছি এবং লেখার চেষ্টা করছি দেশ ও সমাজের প্রতি আমার দায়িত্ববোধ থেকে। দেশের জন্য লেখালেখি করে কিছুটা হলেও অবদান রাখা যায় বলে আমি বিশ্বাস করি।
আপনারা জানেন সারাবিশ্বের ন্যায় আমাদের দেশেও করোনা ভাইরাস দিনদিন আরও ভয়াবহতা দিকে এগুচ্ছে। ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষদের সকলেই সহযোগিতা করেছে কিন্তু আমাদের ভাবনা ছিল এত দিনে সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে। স্বাভাবিক না হওয়ায় মানুষ আবার কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। আমি আপনি যদি সেসব মানুষদের মধ্য থেকে কতক মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে পারি তার চেয়ে ভালো কাজ আর হতে পারে না।
আপনারা জানেন, সবাই যাতে পড়তে পারে এবং লেখককে অনুপ্রাণিত করে সে জন্য আগেই আমি ঘোষণা দিয়েছিলাম নূন্যতম ১০টাকা হলেও উপহার দিবেন কিন্তু বাস্তব হলো আমার শুভাকাঙ্ক্ষী যারা তারা সবাই আমাকে ৫০/১০০/১৫০ টাকা করে দিয়েছে। আমি চিন্তা করলাম এ টাকা দিয়ে যদি আমি মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি সেটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া হবে। আপনাদের কাছে অনুরোধ এ কাঁচা হাতের লেখকের বই পছন্দ না হলেও করোনায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন এগিয়ে আসুন। ৫০/১০০/১৫০ টাকার চেয়ে একজন মানুষের মুখের হাসি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। আমি কোনো নির্দিষ্ট কোনো এমাউন্ট বলব না আপনারা আমাকে ভালোবেসে এবং করোনায় অসহায় হয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়াতে যা প্রদান করবেন সেটাতেই আমি খুশি। তবে অনুরোধ শুধু শুভ কামনা, পাশে আছি বলে নিজ দায়িত্ব শেষ করবেন না।
আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াসে যদি কিছু মানুষের মুখে হাসি ফুটে আমার এ লেখা সার্থক, সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ। কৃতজ্ঞতা বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের প্রতিও যে সংগঠন আমাকে এ পর্যন্ত আসতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছে।
যোগাযোগ:
আমজাদ হোসেন হৃদয়
01876686353
বিকাশ পার্সোনাল