মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চকে ছাত্রলীগের মুখোশধারী লাঠিয়াল বাহিনী এবং বিজেপি ও র-এর এজেন্ট বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসু ভিপি নুরুল হক। আজ মঙ্গলবার ভারতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও নিপীড়নের প্রতিবাদ সমাবেশে মুক্তিযুদ্ধ ও ছাত্রলীগের হামলায় এ মন্তব্য করেনে তিনি।
সম্প্রতি ভারতে নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসির প্রতিবাদ করায় সেখানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালায় পুলিশ। এতে অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের দাবির প্রতি সংহতি এবং নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসির প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় এক বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাথীরা। এতে ডাকসু ভিপি নুরদের সঙ্গে মারমারিতে জড়িয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
হামলা পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নুরুল হক বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী আর কোন সিদ্ধান্ত নিতে দিব না আমরা । আমাদের শরীরে রক্তের শেষ বিন্দু থাকা পর্যন্ত বাংলাদেশকে ভারতের হাতে ইজারা দিতে দিব না। দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির কারণ এই স্বৈরাচার সরকার।
ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন বলেন, জীবনের শেষ রক্তবিন্দু থাকা পর্যন্ত ভারতের আধিপত্য কায়েম হতে দিবনা। সরকারের নীরব ভুমিকার জন্য দেশ আজ অন্যের হাতে। তিনি আরো বলেন, আজকে আমরা আহত হয়েছি। আমার পা থেকে রক্ত ঝরছে। শুধু পা থেকে কেন? জীবন দিয়ে দিব, তবুও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে যাব।
বিকেলে সংহতি সভায় আসলে নুরুল হকের নেতৃত্বে কর্মসূচী পালন করতে আসলে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের যৌথ হামলায় বেশ কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে ডাকসু সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন, সালেহ উদ্দিন সিফাত, নাহিদসহ প্রমূখ। অন্যদিকে সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের আল নাহিয়ান খান জয়ের অনুসারী আসলাম আহত হয়েছে।