আবু বকর ছিদ্দিক: সবাই যাকে ভুলে গেল

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:৪৫ PM
আবু বকর ছিদ্দিক

আবু বকর ছিদ্দিক

আবু বকর ছিদ্দিক। টাঙ্গাইল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসেছিলেন। শিক্ষক হওয়ার স্বপ্নে  ভর্তি হয়েছিলেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে। কিন্তু সন্ত্রাসের জাঁতাকল তাকে এগুতে দেয়নি। ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের শিকার হয়ে ২০১০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি প্রাণ হারাতে হয় তাকে। সে হিসেবে আজ আবু বকরের নবম মৃত্যুবার্ষিকী।

আবু বকরের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, হল কিংবা বিভাগ- কোথাও কোনো মিলাদ মাহফিল কিংবা স্মরণসভার আয়োজন করা হয়নি। শুধু তাই নয়, এক দশক না পেরোতেই তাঁকে হত্যার ঘটনাই যেন ভুলে গেছেন সংশ্লিষ্টরা। 

জানা গেছে, ২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে স্যার এফ রহমান হলে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে মাথায় গুলিবিদ্ধ হন আবু বকর। টানা দুই দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে ৩ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন মেধাবী এই ছাত্র। ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত ১০ ছাত্রকে নামমাত্র সাময়িক বহিষ্কার করেই দায় সারে।

আবু বকর ছিদ্দিক হত্যা মামলায় ২০১২ সালের ২৬ নভেম্বর ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মীকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। শাহবাগ থানার দেওয়া অভিযোগপত্রে আটজনকে আসামি করা হয়েছিল। এর আগে ২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ছাত্রলীগের তখনকার হল শাখার সভাপতি সাইদুজ্জামান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মোল্যা গ্রুপের সংঘর্ষের সময় তিনি আহত হন। মৃত্যুর দুই মাস পর ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃত বিভাগের শিক্ষার্থী আবু বকরের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। তাতে প্রথম হয়েছিলেন তিনি।

দীর্ঘ ১৪ মাস মামলার কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর ২০১১ সালের ২৯ এপ্রিল মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলার অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। এতে ছাত্রলীগের স্যার এ এফ রহমান হল শাখার সভাপতি সাইদুজ্জামান ফারুককে প্রধান আসামি করে ছাত্রলীগের আট নেতাকর্মীর নামে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিরা হলেন- এনামুল হক, মনসুর আহমেদ রনি, আবু জাফর মো. সালাম, মফিদুল ইসলাম খান, রকিব উদ্দিন, মেহেদী হাসান ও তৌহিদুল খান তুষার। আসামিদের সবাই হল ও ক্যাম্পাস ছেড়েছেন।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী গ্রামের দিনমজুর রুস্তম আলী ও রাবেয়া খাতুনের সন্তান আবু বকর। তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের পঞ্চম সেমিস্টারে প্রথমস্থান লাভকারী ছাত্র। থাকতেন স্যার এফ রহমান হলের ৪০৪ নম্বর কক্ষে।

ড্যাফোডিলে বাংলাদেশ ফার্মাসিস্ট ফোরামের শাখা কমিটির অনুমোদন
  • ০৭ মার্চ ২০২৬
বদর যুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত দিবস আজ, ইতিহাসের বাঁক বদলে যায় যে…
  • ০৭ মার্চ ২০২৬
ঈদের কেনাকাটা শেষে বাড়ি ফেরার পথে ৪ সন্তানের জননীকে সংঘবদ্ধ…
  • ০৭ মার্চ ২০২৬
ইবি শিক্ষিকা হত্যার প্রতিবাদ নোবিপ্রবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফ…
  • ০৭ মার্চ ২০২৬
সাইন্সল্যাবে ট্রাকের ধাক্কায় সরকারি কর্মচারী নিহত
  • ০৭ মার্চ ২০২৬
গবেষণায় উৎসাহিত করতে অ্যাওয়ার্ড চালু করল রুয়েট
  • ০৭ মার্চ ২০২৬