সিনিয়র অফিসারের নির্দেশনায় পালিয়েছিলেন আকবর

০৯ নভেম্বর ২০২০, ০৭:০৩ PM
অভিযুক্ত এসআই আকবর হোসেন

অভিযুক্ত এসআই আকবর হোসেন © সংগৃহীত

‘আমি ভাগে আসছিলাম যে, বলছে সাসপেশন (বরখাস্ত) করছে। গ্রেপ্তার করতে পারে। সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছে, দুই মাস পর সব ঠাণ্ডা হয়ে যাবে। এরপর গেলে হ্যান্ডেল করা যাবে। আমি অন্য কোনো কারণে ভাগি নাই।’— সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত এলাকা থেকে আটকের সময় এভাবেই জানাচ্ছিলেন আলোচিত রায়হান হত্যার প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবর হোসেন।

শুধু তাই নয়, মুখে দাড়ি। পরনে খয়েরি রঙের ফুল হাতা শার্ট। নাইলনের রশি দিয়ে বেঁধে রাখা কোমর। প্রথম দর্শনে কারোই বুঝতে পারার কথা না যে তিনি সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়ির একসময়ের ইনচার্জ ও বর্তমানে বরখাস্ত উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর। পালিয়ে ভারতের খাসিয়াপল্লিতে আশ্রয় নেওয়ার কারণ অনেকটা কান্নার সুরও বলছিলেন তিনি।

এর আগে আজ সোমবার দুপুরে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ ইউনিয়নের ডোনা সীমান্ত থেকে অভিযুক্ত এসআই আকবর হোসেনকে গ্রেফতার করেছে জেলা ডিবি পুলিশ। আকবরকে বাংলাদেশের পুলিশের কাছে সোপর্দ করার আগের ভিডিওতে এ রকম চিত্র দেখা গেছে। ইতিমধ্যে ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

দুটো ভিডিওতে দেখা গেছে, আকবরকে পিছমোড়া করে বেঁধে রাখা। দুই হাত পেছনে রেখে রশি টাঙিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দেখা গেছে কয়েকজনকে। এ সময় আকবর বলেন, ‘আমাকে একজন সিনিয়র অফিসার বলেছেন, ‘তুমি চলে যাও, দুই মাস পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফিরে আসবা’।

আকবরের দাবি, ভাই, আমি খুনি না। ইচ্ছে করে আমি একা (রায়হান উদ্দিন আহমদ) মারিনি। রিমান্ড দিছিল পাঁচ-ছয়জন। এজন্য মরে গেছে ভাই। মারছিল জনগণ, আমরা হাসপাতাল নিয়ে গেছিলাম। কিন্তু ওখান থেকে সে (রায়হান) মরে গেছে।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর পর্যন্ত আকবর পুলিশের নজরদারিতে ছিলেন তিনি। এরপর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তিনি যাতে পালিয়ে ভারতে চলে যেতে না পারেন- এজন্য সিলেট জেলার সীমান্তবর্তী সব থানা এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয় বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন সিলেট জেলার পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন।

এদিকে আকবরের দাবি, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পরামর্শ পাওয়ার পর সিলেটের ভোলাগঞ্জ সীমান্ত ও মেঘালয়ের মাঝেরগাঁও এলাকা দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান তিনি। প্রথমে শিলং হয়ে আসামের শিলচরে অবস্থান করেন। আজ রোববার দুপুরে কানাইঘাট উপজেলার ডোনা সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে আসার পথে সীমান্ত এলাকায় লকডাউন থাকায় খাসিয়ারা আটক করে। এরপর তারা তাঁকে বাংলাদেশের খাসিয়াদের কাছে হস্তান্তর করে।

গ্রেফতারের বিষয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) লৎফুর রহমান বলেন, আমরা আকবরকে পেয়েছি সীমান্ত এলাকার বাংলাদেশ সীমানায়। এর আগে আকবর কোথায় ছিলেন, এ সম্পর্কে আমাদের কাছে তথ্য হচ্ছে- আকবর ভারত পালানোর চেষ্টা করেছিলেন।

এনএসআই কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, যুবক আটক
  • ১৪ এপ্রিল ২০২৬
আজ রাজধানীর যেসব সড়ক এড়িয়ে চলবেন
  • ১৪ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিবেট প্ল্যাটফর্ম বিএনডিপির নেতৃত্বে ফাহা…
  • ১৪ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই বিপ্লবে ৬২ ভাগ শহীদ শ্রমিক: জামায়াতে আমির
  • ১৪ এপ্রিল ২০২৬
ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, যেসব জেলায় ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
  • ১৪ এপ্রিল ২০২৬
আজ পহেলা বৈশাখ: বাঙালির প্রাণের উৎসব
  • ১৪ এপ্রিল ২০২৬