আজ পহেলা বৈশাখ: বাঙালির প্রাণের উৎসব

১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৭ AM , আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৬ AM
শোভাযাত্রা

শোভাযাত্রা © টিডিসি ফটো

নতুন বছরের আগমনী সুর যেন ইতোমধ্যেই বাতাসে ভেসে উঠেছে। পুরনো বছরের ক্লান্তি, গ্লানি আর শোককে বিদায় জানিয়ে আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) শুরু হয়েছে নতুন প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। ঋতুচক্রের নবায়নের মতোই এই উৎসব বয়ে আনে আশার আলো, পুনর্জাগরণের আহ্বান এবং ঐক্যের বার্তা।

হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সম্মিলনে গড়ে ওঠা এই দিনটি এখন জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভেদাভেদ অতিক্রম করে এক সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি বাঙালি একযোগে মেতে উঠবে বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিতে। এ দিনটি আমাদের অন্তরের গভীরে লালিত দেশপ্রেম, অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের এক অনন্য প্রকাশ ঘটায়।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বার্তায় দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের ঐক্য, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার উজ্জ্বল প্রতীক। জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে এই দিনটি সবার জন্য হয়ে ওঠে আনন্দ ও মিলনের উপলক্ষ। আমাদের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে এই উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম। বৈশাখের আগমনে জীবনে জাগে নতুন স্বপ্ন, নতুন প্রত্যয় এবং অসীম সম্ভাবনার আশা।

প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় উল্লেখ করেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তা, ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক অনন্য প্রতীক। প্রতি বছর এই দিনটি নতুনের আহ্বান নিয়ে ফিরে আসে, পুরোনো গ্লানি ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়। তিনি আরও বলেন, এ উৎসবের সঙ্গে কৃষি, প্রকৃতি এবং গ্রামীণ জীবনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও কৃষকের জীবনযাত্রা প্রকৃতির ছন্দের সঙ্গেই আবর্তিত হয়। পহেলা বৈশাখ আমাদের হাজার বছরের লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধকে নতুন করে জাগ্রত করে।

প্রতিবারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন করা হয়েছে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার। লোকজ ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য তুলে ধরতে এতে থাকবে নানা প্রতীকী উপস্থাপনা। বাঁশ, কাঠ ও রঙিন কাগজে তৈরি বিশাল বাঘ, হাতি, ময়ূর এবং মা-শিশুর প্রতিকৃতি শোভাযাত্রাকে দেবে অনন্য মাত্রা। এর মূল বার্তা অশুভ শক্তির বিনাশ এবং কল্যাণময় ভবিষ্যতের আহ্বান।

এবারের শোভাযাত্রায় ‘মোরগ, বেহালা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া’ এই পাঁচটি মোটিফ বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। এগুলো যথাক্রমে শক্তি, সৃজনশীলতা, শান্তি, গৌরব ও গতিশীলতার প্রতীক হিসেবে উপস্থাপিত হবে। প্রতিটি উপাদানে ফুটে উঠবে বাংলার গভীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।

পাশাপাশি ৩৫ জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পীর পরিবেশনায় জাতীয় সংগীত, ‘এসো হে বৈশাখ’ এবং দেশাত্মবোধক গান শোভাযাত্রায় যোগ করবে নতুন প্রাণ। এতে অংশ নেবে ২০০ জন শিক্ষার্থী, যারা বহন করবে জাতীয় পতাকা।

এছাড়াও ‘শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রমনার বটমূলে ছায়ানটের শিল্পীরা সম্মিলিত কণ্ঠে পরিবেশন করবেন বর্ষবরণের গান, যা দীর্ঘদিন ধরে এই দিনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

বাড়ছে মন্ত্রিসভার আকার ,ঈদের পর আসছে বড় রদবদল
  • ০৭ মে ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর নির্ভরতায় গবেষণার মান নষ্ট হয় :  হ…
  • ০৭ মে ২০২৬
আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্সে যবিপ্রবির পাঁচ স্বর্ণ জয়
  • ০৭ মে ২০২৬
এপ্রিলে সড়কে ঝরল ৪০৪ প্রাণ, সবচেয়ে বেশি মৃত্যু মোটরসাইকেল দ…
  • ০৭ মে ২০২৬
প্রশাসনকে জনমুখী করে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • ০৭ মে ২০২৬
আসলেই কী সীমান্ত এলাকায় জামায়াত ও বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা…
  • ০৬ মে ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SUMMER 2026
Application Deadline Wednesday, May 13, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9