© সংগৃহীত
এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জহিরুল ইসলাম রেজওয়ান লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের দিঘলিয়া গ্রামের মৃত সাইফুল শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় রেজওয়ান দিঘলিয়া বাজার থেকে নিজ বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে দিঘলিয়া বাজার সংলগ্ন কুমড়ি-দিঘলিয়া সড়কে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেজওয়ানকে কুপিয়ে জখম করে। ধারালো অস্ত্রের কোপে জহিরুল ইসলাম রেজওয়ানের বাম পা ও বাম হাতের হাড় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মাথাসহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা রেজওয়ানকে উদ্ধার করে লোহাগড়া হাসপাতালে নিয়ে যায়।
লোহাগড়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. খালিদ সাইফুল্লাহ বিল্লাল জানান, রোগীর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছি। ধারালো অস্ত্রের কোপে জহিরুল ইসলাম রেজওয়ানের বাম পা ও বাম হাতের হাড় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মাথাসহ শরীরে অসংখ্য কোপ রয়েছে। তাঁর বেঁচে উঠার সম্ভাবনা কম। তিনি কোমায় চলে গেছেন।
কুমড়ি গ্রামের মো. তুহিন শেখসহ অন্যরা জানায়, জহিরুল ইসলাম রেজওয়ানের মূলবাড়ি কুমড়ি গ্রামে। দিঘলিয়ায় এলাকায় নতুন বাড়ি বানিয়ে বসবাস করেন। তিনি আরো জানান, নড়াইল সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রেজওয়ানের মৃত্যু হয়েছে।
এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পূর্বশত্রুতার জের ধরে রেজওয়ানকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানায়।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান জহিরুল ইসলাম রেজওয়ানের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে জানান, এঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।