মুস্তাক মুহাম্মদ আরমান খান © সংগৃহীত
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কথিত ইমাম মাহাদী পরিচয় দেয়া সৌদি প্রবাসী মুস্তাক আহমেদ আরমানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। আজ শনিবার রাজধানীর রমনা থানায় সিটিটিসির একজন পরিদর্শক বাদী হয়ে এই মামলাটি করেন।
মামলায় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ধর্মীয় অপব্যাখ্যা ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। সিটিটিসির উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কথিত ইমাম মাহাদীর প্রকৃত নাম মুস্তাক মুহাম্মদ আরমান খান। সে তার ওয়েবসাইটে জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরেছে। সেখানে বলা আছে তার বাড়ি নেত্রকোনায়। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে তিনি পড়াশোনা করেছেন। উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি মালয়েশিয়ায় যান। সেখান থেকে ফিরে দেশে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। তিনি চার সন্তানের জনক।
সিটিটিসির কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মুস্তাক মুহাম্মদ খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলাম ধর্মের অপব্যাখ্যামূলক মনগড়া ও ভিত্তিহীন বক্তব্য প্রচার করে আসছিলেন। ওইসব ভিডিও বার্তায় তিনি নিজেকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর বংশধর হিসেবে দাবি করেন। এছাড়া তিনি স্বপ্নের মাধ্যমে নিজেকে ইমাম মাহাদী হিসেবে ঘোষিত হওয়ার দাবিও করেন।
কর্মকর্তারা জানান, ইমাম মাহাদীর পরিচয় ধারণ করে এ ধরনের অসত্য বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য ও তথ্য-উপাত্ত প্রদানের ফলে দেশের ধর্মপ্রাণ বৃহত্তর মুসলিম জনগোষ্ঠী ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়াসহ ব্যাপক বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।