হাবিপ্রবিতে বৃক্ষরোপণ © টিডিসি ফটো
দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) কৃষি অনুষদের লেভেল-১, সেমিস্টার-২ এর শিক্ষার্থীদের (১৮তম ব্যাচ) উদ্যোগে ক্যাম্পাসের শোভাবর্ধনের জন্য বৃক্ষরোপণ রোপণ করা হয়েছে।
বুধবার বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম একটি শোভাবর্ধক গাছের চারা লাগিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন। উক্ত কর্মসূচিতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মতিউর রহমান হাওলাদার। এছাড়া সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি অ্যান্ড টক্সিকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. সিদ্দিকুল ইসলাম, হাবিপ্রবি’র সোশ্যাল সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যানিটিস অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. এ টি এম রেজাউল হক, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক, উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর টি এম টি ইকবালসহ ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
কৃষি অনুষদের ১৮তম ব্যাচের এমন মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম বলেন, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শোভাবর্ধণ ও পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের ভূমিকা অগ্রগণ্য। আমি তাদের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ধরনের কর্মকান্ডে আমার সার্বিক সহযোগিতা থাকবে ।
কৃষি অনুষদের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর টি এম টি ইকবাল জানান, লেভেল ১ সেমিস্টার ২ এর শিক্ষার্থীদের কোর্স কারিকুলামে অর্নামেন্টাল হর্টিকালচার (শোভাবর্ধক উদ্যানতত্ত্ব) নামে একটি পাঠ আছে ।আমি তাদের সে পাঠ টুকু পড়াচ্ছি । তারা পাঠে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেরাই প্রায় ৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করে গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেয় । আমি জেনে অত্যন্ত খুশি হয়েছি ।এবং আমার কাছে এখন মনে হচ্ছে ,আমার ছাত্রদের মধ্যে কৃষির প্রতি,প্রকৃতির প্রতি যে প্রকৃত ভালবাসা তা জাগ্রত করতে পেরেছি।
তিনি আরও বলেন ,সম্প্রতি আমি সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গিয়েছি ,তারা আমার কাছে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে গাছ লাগানোর একটি ডিজাইন চায় ।আমি ল্যান্ড স্কেপিং(স্থল পরিকল্পনা) করার কথা বলেছি।তারা সেটি পছন্দ করেছে।আমি মনে করি,আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েও যদি সেটি করা যায় ,তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য আরও বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।
উল্লেখ্য যে, কৃষি অনুষদের ১৮ তম ব্যাচের প্রথম দিনের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে তিন প্রজাতির জুই, বাগান বিলাস, কমলতা, টিকোমা, একলিফা, রংগন, ক্যামেলিয়া, বাহারী টগর, গল ফেমিয়া, পাউডার পাপ, ফুরুষ প্রজাতির ১৫ টি গাছ লাগানো হয়। পর্যায়ক্রমে ১১৫টি গাছ লাগানো হবে বলে জানা গেছে ।