নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজধানীজুড়ে অবরোধ

২০ মার্চ ২০১৯, ১২:০১ PM
নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ

নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ © টিডিসি ফটো

নিরাপদ সড়কের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো শুরু হওয়া বিক্ষোভ রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে এ আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন।

চলমান আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বেলা ১১টার দিকে তারা এ অবরোধ শুরু করেন। আশেপাশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এতে যোগ দিয়েছেন।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। এতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও আশেপাশের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা যোগ দিয়েছেন।

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার ২৭ থেকে ৩২ নম্বর পর্যন্ত সড়কে অবস্থান নিয়েছেন বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির আশেপাশেও শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন।

মিরপুরের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গ্রিন ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলছে। সেখানে নিরাপদ সড়কের দাবিতে তারা নানা ধরণের স্লোগান দিচ্ছেন।

এছাড়া গতকাল থেকে বসুন্ধরা গেইটে শিক্ষার্থীদের শুরু হওয়া বিক্ষোভ আজ আরো জোরালো হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সেখানে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র আবরার নিহত হন।

বিইউপির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এআইইউবি), সিদ্ধেশ্বরী কলেজ এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও যোগ দিয়েছেন।

‘জাস্টিস ফর আবরার’, ‘আমার ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’, ‘আর কত রক্ত ঝরতে হবে রাস্তায়’- এরকম নানা স্লোগান দিচ্ছেন তারা।

রাজধানীর বসুন্ধরা গেট এলাকায় সু-প্রভাত পরিবহনের বাস চাপায় বিইউপি শিক্ষার্থী আবরার আহম্মেদ চৌধুরী নিহতের ঘটনায় চলছে এই বিক্ষোভ।

শিক্ষার্থীদের আট দফা দাবির মধ্যে রয়েছে-

১. পরিবহন সেক্টরকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে হবে এবং প্রতিমাসে বাসচালকের লাইসেন্সসহ সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেক করতে হবে।

২. আটক হওয়া চালক ও সম্পৃক্ত সকলকে দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে।


৩. আজ থেকেই ফিটনেসবিহীন বাস ও লাইসেন্সবিহীন চালককে দ্রুততম সময়ে অপসারণ করতে হবে।

৪. ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় সকল স্থানে আন্ডার পাস, স্পিড ব্রেকার ও ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ করতে হবে।

৫. চলমান আইনের পরিবর্তন করে সড়কে হত্যার সঙ্গে জড়িত সকলকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

৬. দায়িত্ব অবহেলাকারী প্রশাসন ও ট্রাফিক পুলিশকে স্থায়ীভাবে অপসারণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৭. প্রতিযোগিতামূলক গাড়ি চলাচল বন্ধ করে নির্দিষ্ট স্থানে বাসস্টপ এবং যাত্রী ছাউনী করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৮. ছাত্রদের হাফপাস অথবা আলাদা বাস সার্ভিস চালু করতে হবে।

স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানি, বরখাস্ত শিক্ষক
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
ইনকিলাব মঞ্চের দেয়াল লিখনের ওপর পাল্টা দেয়ালিকা আঁকল ছাত্রদল
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
অবশেষে মিলল রূপপুর পারমাণবিকে জ্বালানি লোডিংয়ের লাইসেন্স
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীতে সিসা বারে অভিযান, ম্যানেজার আটক
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলের আবাসন সংকট: লিখিত সমাধান জানাতে অধ্য…
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬