প্রশ্নফাঁস চক্রের মূলোৎপাটন, গ্রেপ্তার ৪৬

৩১ জানুয়ারি ২০১৯, ০৩:০৪ PM
সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

প্রশ্নফাঁসের সবচেয়ে বড় চক্রটির মূলোৎপাটন করা হয়েছে দাবি করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ও বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস এবং ডিজিটাল জালিয়াতের দুই আলাদা চক্রকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সর্বশেষ ডিজিটাল ডিভাইস জালিয়াত চক্রের মূল হোতা হাফিজুর রহমান হাফিজ ও মাসুদ রহমান তাজুলসহ দুটি চক্রের ৪৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানানো হয়। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে ‘প্রশ্নফাঁস চক্রের মূলোৎপাটনের আদ্যোপান্ত’ তুলে ধরে সিআইডি।

সিআইডি বলছে, ভর্তি ও নিয়োগ পরীক্ষায় মূলত দুই ভাবে জালিয়াতি হয়। একটি চক্র প্রশ্ন ফাঁস করে। অন্য চক্রটি পরীক্ষার দিন প্রশ্ন সংগ্রহ করে সমাধান বের করে। এর পর ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে তা পরীক্ষার্থীদের সরবরাহ করে। সিআইডি প্রশ্নফাঁস চক্রটিকে আগেই শনাক্ত করেছে এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তার করেছে। এবার তাঁরা ডিজিটাল ডিভাইস জালিয়াতি চক্রটিকেও গ্রেপ্তার করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডি জানায়, গত কয়েক দিন অভিযান চালিয়ে ডিজিটাল জালিয়াত চক্রের মূল হোতা বিকেএসপির সহকারী পরিচালক অলিপ কুমার বিশ্বাস, ৩৮-তম বিসিএসে নন-ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ইব্রাহীম মোল্লা, বিএডিসির সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল, আইয়ুব আলী বাঁধনসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই চক্রটি বিসিএস পরীক্ষায়ও জালিয়াতি করেছে। ডিজিটাল ডিভাইস জালিয়াত চক্রের ৬ মূল হোতার অলিপ, ইব্রাহীম, মোস্তফা, তাজুল, হাফিজ ও বাঁধনের প্রত্যেকের নিজস্ব সহযোগী চক্র ছিল। এদের মধ্যে গত কয়েক দিনের অভিযানে হাফিজ ও তাজুল গ্রেপ্তার হয়েছে।

সিআইডি প্রধান অ্যাডিশনাল আইজিপি হিমায়েত হোসেন বলেছেন, বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষা ও ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত নেপথ্যে থাকা হোতাদের শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে। এসময় বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল জানান, আটককৃতদের কাছ থেকে ২৭ টি আধুনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে এমন অপরাধ করতে না পারে। তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসে যারা সুবিধাভোগী তাদেরকেও আটক করা হবে এবং মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করা হবে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া ৯ জনের মধ্যে হাফিজ জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার এবং তাজুল ব্যবসায়ী। বাকিদের মধ্যে আবদুর রহমান রমিজ, সাইদুর রহমান ও মোহায়মিনুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসির ছাত্র, রিমন গ্রীন ইউনিভার্সিটির ছাত্র, জাহাঙ্গীর আলম অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার, মোশারফ হোসেন মোসা ঢাকা কলেজের পিওন, অসীম বিশ্বাস ঢাকা কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী।

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় পোশাক কারখানার কর্মকর্তা নিহত
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
বৈরী আবহাওয়ায় বিপর্যস্ত রেলপথ, নোয়াখালী-ঢাকা ট্রেন চলাচল অ…
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
এরিয়া ইনচার্জ নেবে আকিজ গ্রুপ, সরাসরি মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যম…
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
২০তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি কবে, যা জানা যাচ্ছে
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
১৮তম নিবন্ধনের সুপারিশবঞ্চিতদের সুখবর দিলেন এনটিআরসিএ চেয়ার…
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
ঢাবিতে সপ্তম বাংলাদেশ ইকোনমিকস সামিট শুরু
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
close