ঢাবিতে সপ্তম বাংলাদেশ ইকোনমিকস সামিট শুরু

০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫২ AM
সামিট উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম

সামিট উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম © টিডিসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাব ‘ইকোনমিকস স্টাডি সেন্টার’-এর উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী ‘ সপ্তম বাংলাদেশ ইকোনমিকস সামিট’ শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে এ সামিটের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ সামিট উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এবারের সামিটের প্রতিপাদ্য ‘জনসংখ্যাগত লভ্যাংশের বাইরে: যুব কর্মসংস্থান ও টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য কাঠামোগত সংস্কার।’

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি), সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) ও ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) সহযোগিতায় এ ইকোনমিকস সামিট আয়োজন করা হয়েছে।

ইকোনমিকস স্টাডি সেন্টারের সভাপতি অনির্বাণ ঘোষের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড তৈয়বুর রহমান এবং ক্লাবের মডারেটর অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। ক্লাবের সভাপতি  স্বাগত বক্তব্য দেন। এতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছেন।

এ সামিটের সফলতা কামনা করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘আমি স্যালুট জানাই সেই সব শিক্ষার্থীকে যারা এত বড় একটা প্রোগ্রাম করার সাহস পাচ্ছে এবং গত ছয়টি বছর পার করে সপ্তম বছরে পদার্পণ করেছে। তাদের অভিনন্দন জানাই, তাদের এই সাহসী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানাই।’

উপাচার্য ইকোনমিকস স্টাডি সেন্টারের শিক্ষার্থীদের এই বৃহৎ আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং অনার্স-মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের একটি গবেষণাধর্মী জার্নাল প্রকাশের উদ্যোগকে তিনি ‘সাহসী’ ও ‘অসাধারণ কীর্তিকর্ম’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ‘আমি দেখলাম, শিক্ষার্থীরা জার্নাল বের করেছে। জার্নাল বের করার সাহস অনার্স পাশ করার পর দূরে থাকুক, মাস্টার্স পাস করার পর যখন গবেষক হয়, তখন তারা চিন্তা করে। কিন্তু ইকোনমিকস ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীরা অন্য সবার থেকে মেধাবী বলেই তারা এটা পারে। চমৎকার একটা জার্নাল তারা বের করেছে এবং এইমাত্র আমরা মোড়ক উন্মোচন করলাম, এটা তাদের অসাধারণ কীর্তিকর্ম।’

উপাচার্য আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা সাধারণত এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাকটিভিটিসের মধ্যে খেলাধুলা, ডিবেটিং, রক্তদান কর্মসূচি বা সাংস্কৃতিক প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবারিত সুযোগ আছে, ভালো কিছু নেওয়ার। স্পোর্টস জিমনেশিয়াম, সুইমিং পুল সবই আছে। কিন্তু এই এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিসের অংশ হিসেবে এটি আরেকটা একাডেমিক কার্যক্রম—যা কিনা পড়াশোনার মধ্যে থেকে নিজেকে নিয়োজিত রাখা, এটা অসাধারণ।’

উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই কাজগুলো যদি রেগুলার করে যেতে পারি, তবে ক্লাসরুমের বাইরে যে অবসর সময়টা থাকে, সে সময়টাতে যদি এই কাজগুলোতে ইনভলভ থাকি, তবে একাডেমিক চর্চা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং মেধাকে শানিত করবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
এভারকেয়ার হাসপাতালে চাকরি, আবেদন শেষ ১৩ এপ্রিল
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
কওমী মাদ্রাসাগুলোকে উপবৃত্তির আওতায় আনতে আবেদন শেষ হচ্ছে আজ
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
রেকর্ড গড়ল আর্টেমিস টু: পৃথিবী থেকে এত দূরে আগে কখনো যায়নি …
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
পরিমাপে কম দেওয়ায় পাম্পমালিককে জরিমানা 
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকার বাতাস আজ সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
close