তানজিদ হাসান তামিম © সংগৃহীত
শেষ দুই ওভারে সেভাবে বড় রান তুলতে পারেনি বাংলাদেশ। এতে তিন শতকের মাইলফলকও ছোঁয়া হয়নি। তবে ইনিংসের মূল ভরসা ছিলেন তানজিদ হাসান। সাইফ হাসানের সঙ্গে ১০৫ ও নাজমুলের সঙ্গে ৫৩ রানের জুটিতে প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এরপর হৃদয়-লিটনের ৬৮ রানের জুটিতে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।
রবিবার (১৫ মার্চ) মিরপুরে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারের খেলা শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। দলের হয়ে ১০৭ বলে সর্বোচ্চ ১০৭ রানের ইনিংস খেলেন তানজিদ তামিম।
ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার মিলে শক্ত ভিত গড়ে তুলে বিনা উইকেটে দলীয় সংগ্রহ একশ রানে পৌঁছে দেন। তবে সেই জুটি ভাঙে শাহিন শাহ আফ্রিদির ওভারে। বোল্ড হয়ে ৩৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান।
সাইফের বিদায়ের পর তামিমকে সঙ্গ দিতে থাকা নাজমুল শান্তও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। পাকিস্তানি পেসার হারিস রউফের বলে ২৭ রান করে বিদায় নেন তিনি।
অন্যপ্রান্তে ৪৭ বলে প্রথম ফিফটির পর পরের ফিফটি করতে আরও ৪৯ বল লেগেছে তানজিদ তামিমের। সব মিলিয়ে ৯৮ বল খেলেই তিন অঙ্ক স্পর্শ করেন এই ওপেনার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটি তার প্রথম সেঞ্চুরি।
এই ইনিংস খেলার পথেই আরেকটি মাইলফলক স্পর্শ করেন। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৩ হাজার রানের মাইলফলকও পূর্ণ করেন এই ব্যাটার।
তবে সেঞ্চুরির পর হাত মেলে খেলতে গিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তামিম। ১০৭ বলে ১০৭ রান করে আবরার আহমেদের বলে আউট হন এই ওপেনার।
এরপর লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নেন তাওহিদ হৃদয়। দুজনই শুরুতে দেখেশুনে খেললেও পরে হাত খুলে রান তোলেন। ৫১ বলে ৪১ রান করে লিটন আউট হলে পরের বলেই গোল্ডেন ডাকে ফেরেন রিশাদ হোসেন। দুজনকেই ফেরান হারিস রউফ।
শেষদিকে হৃদয় ও আফিফ দলকে এগিয়ে নেন। ৪৪ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন হৃদয়, আফিফ করেন ৫ রান। এতে নির্ধারিত ওভার শেষে লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের হয়ে ৩ উইকেট নেন হারিস রউফ, আর আবরার আহমেদ ও শাহীন শাহ আফ্রিদি নেন একটি করে উইকেট।