বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতের উদযাপন © সংগৃহীত
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছে ভারত। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ইতিহাসও গড়েছে ম্যান ইন ব্লু’রা। প্রথম দল হিসেবে টানা দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়ার পাশাপাশি ভারতের তৃতীয় শিরোপা এটি। একইসঙ্গে শিরোপা ধরে রাখা প্রথম দলও টিম ইন্ডিয়া।
অন্যদিকে শিরোপা আক্ষেপেই পুরতে হলো কিউইদের। আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শিরোপা খোয়ানোর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপাও টিম ইন্ডিয়ার কাছেই হারল ব্ল্যাক-ক্যাপসরা।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর প্রাইজমানি:
চ্যাম্পিয়ন ভারত: ৩৬ কোটি টাকা
রানার্সআপ নিউজিল্যান্ড: ১৯ কোটি টাকা।
ফাইনালের ম্যাচসেরা:
বিজয়ী: জাসপ্রিত বুমরাহ (ভারত)
পারফরম্যান্স: ৪ ওভারে ১৫ রান খরচায় ৪ উইকেট।
টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড়:
বিজয়ী: সাঞ্জু স্যামসন (ভারত)
পরিসংখ্যান: ম্যাচ ৫, রান ৩২১, গড় ৮০ দশমিক ২৫, স্ট্রাইক রেট ১৯৯ দশমিক ৩৮।
টুর্নামেন্টে সর্বাধিক রান:
খেলোয়াড়: সাহিবজাদা ফারহান (পাকিস্তান)
রান ৩৮৩, ইনিংস ৬, গড় ৭৬ দশমিক ৬০, স্ট্রাইক রেট ১৬০ দশমিক ২৬।
সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস:
খেলোয়াড় - যুবরাজ সামরা (কানাডা)
স্কোর- ১১০ (৬৫ বল), চার ১১, ছক্কা ৬, প্রতিপক্ষ-নিউজিল্যান্ড।
সর্বাধিক উইকেট:
খেলোয়াড়: বরুণ চক্রবর্তী (ভারত)
উইকেট ১৪, ইনিংস ৯, গড় ২০ দশমিক ৫০।
সেরা বোলিং পারফরম্যান্স
খেলোয়াড়: রোমারিও শেফার্ড
ফিগার ৫/২০, ওভার ৩, প্রতিপক্ষ-স্কটল্যান্ড।
সর্বাধিক ক্যাচ:
খেলোয়াড়: গ্লেন ফিলিপস (নিউজিল্যান্ড)
ক্যাচ ১১, ইনিংস ৭।
উইকেটকিপারের সর্বাধিক ডিসমিসাল
খেলোয়াড়: উসমান খান (পাকিস্তান)
মোট ডিসমিসাল: ১০ (ক্যাচ- ৮, স্টাম্পিং- ২)।
ফাইনাল ম্যাচসেরা হয়ে বুমরাহর ভাষ্য, ‘এটি অত্যন্ত বিশেষ একটি মুহূর্ত। কারণ, এর আগে আমি আমার নিজের ঘরের মাঠে একটি ফাইনাল খেলেছি এবং সেটি আমরা জিততে পারিনি। তবে এই জয়টি সত্যিই অন্যরকম। আমি এর চেয়ে বেশি খুশি আর হতে পারতাম না। বিশ্বকাপের ফাইনালে এখানে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হওয়া আমার কাছে সবচেয়ে বিশেষ। কারণ, আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ার এখান থেকেই শুরু হয়েছিল। এর চেয়ে ভালো কিছু আর হতে পারে না।’
টুর্নামেন্ট সেরা হয়ে সাঞ্জু বলেছেন, ‘এটি স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে! আমি অত্যন্ত আনন্দিত এবং কৃতজ্ঞ। একদম অবাস্তব এক অনুভূতি। সবকিছুর শুরু হয়েছিল গত বিশ্বকাপ থেকে। আগের আসরে আমি একটি ম্যাচও খেলার সুযোগ পাইনি, কিন্তু আমি নিজের ওপর বিশ্বাস রেখেছিলাম এবং স্বপ্নটাকে বাঁচিয়ে রেখেছিলাম। সত্যি বলতে, অনেক কিছু নিয়ে আমি নিশ্চিত ছিলাম না, তবে যখনই সুযোগ পেয়েছি, সেটা কাজে লাগিয়েছি। এর চেয়ে বেশি আর কী চাওয়ার থাকতে পারে? এই মুহূর্তটির রেশ কাটাতে আমার আরও কয়েক দিন সময় লাগবে।’