হাসান ইসাখিল © সংগৃহীত
ইনিংসের শেষভাগে ব্যাট হাতে ভয়ংকর রূপ নেয় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। শেষ পাঁচ ওভারে দ্রুত রান তুলে বড় সংগ্রহের ভিতও গড়ে দলটি। আফগান ব্যাটসম্যান হাসান ইসাখিলের দাপুটে অপরাজিত সেঞ্চুরি আর হায়দার আলীর কার্যকর সঙ্গেই ইনিংসের মোড় ঘুরিয়ে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি দাঁড় করায় নোয়াখালী।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) হোম অব ক্রিকেটে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রানের সংগ্রহ পায় নোয়াখালী। দলের হয়ে ৭২ বলে ১০৭ রান করে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ নবিপুত্র ইসাখিল।
ব্যাটিংয়ে নেমে পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারেই ৩২ রানে রহমত আলীকে হারায় নোয়াখালী। কিছুক্ষণ পর দলীয় ৩৬ রানে আরেক ধাক্কা আসে, ব্যর্থতার বৃত্তে থাকা জাকের আলী অনিকও ফেরেন সাজঘরে।
শুরুতে চাপের মুখে পড়লেও এরপর ইনিংসের দায়িত্ব নেন হাসান ইসাখিল ও অধিনায়ক হায়দার আলী। ইসাখিল প্রথমে সময় নিয়ে খেললেও সেট হওয়ার পর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। অন্যপ্রান্তে উইকেট বুঝে রানের গতি সচল রাখেন হায়দার।
৪ চার ও ১০ ছক্কায় ৭০ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ইসাখিল। বিপিএলে প্রথম আফগান ব্যাটসম্যান হিসেবে শতক হাঁকান মোহাম্মদ নবির ছেলে, অভিষেক ম্যাচেও অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেছিলেন তিনি।
এই ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন হায়দার আলীও, শেষ পর্যন্ত ৩২ বলে অপরাজিত ৪২ রান করেন তিনি। আর ইসাখিল ৭২ বলে ১০৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাদের দৃঢ় জুটিতেই ২০ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রানের সংগ্রহ পায় নোয়াখালী। রংপুরের হয়ে একটি করে উইকেট নেন নাহিদ রানা ও আলিস আল ইসলাম।