একাদশে বিশেষ কোটায় ভর্তি
কলেজ শিক্ষার্থী © সংগৃহীত
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে বিশেষ কোটায় (SQ) ভর্তির আবেদন নিয়ে দেশের সব কলেজ অধ্যক্ষকে জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে কোটায় আবেদন করা শিক্ষার্থীদের আবেদন নিশ্চায়ন ও অনুমোদন শেষ করতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে Special Quota (SQ) কোটায় আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক নিশ্চায়ন/অনুমোদন আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে ভর্তি ওয়েবসাইট (www.xiclassadmission.gov.bd) এর (Login) প্যানেলে (কলেজের ইআইআইএন নম্বর ও পাসওয়ার্ড) দিয়ে লগইন করে সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ করা হলো ।
এতে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক বিশেষ কোটায় আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের নিশ্চায়ন/অনুমোদন সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে পরবর্তীতে উদ্ভূত জটিলতার জন্য বোর্ড কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।

এর আগে, রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষ কোটায় চার শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ভর্তি আবেদনের তথ্য জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে বিশেষ কোটায় শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যে যে সকল শিক্ষার্থী বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থী হিসেবে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে কেবল তারাই সংশ্লিষ্ট বোর্ডে ম্যানুয়ালি ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।
এতে বলা হয়, প্রবাসীদের সন্তান, বিকেএসপি থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিভাগীয় বা জাতীয় পর্যায়ে অসামান্য অবদানের জন্য পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য বোর্ডে ম্যানুয়ালি আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে বোর্ড উপযুক্ত প্রমাণক যাচাই বাছাই পূর্বক শিক্ষার্থীকে (প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত ন্যূনতম জিপিএ এক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য হবে) ভর্তির ব্যবস্থা নেবে।
এদিকে ২০২৬ সালের ভর্তি নীতিমালায় দুই শ্রেণির কোটার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৯৩ শতাংশ আসন মেধার ভিত্তিতে সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এসব আসনে এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। অবশিষ্ট ৭ শতাংশ আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র–কন্যাদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর–সংস্থার কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত।