সাতক্ষীরা থানা © সংগৃহীত
সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নে জিন্নাত আলী ওরফে জিন্নাহ (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ পুকুরে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৯ মে) ভোরে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত জিন্নাহ ফিংড়ি ইউনিয়নের সর্ব কাশিমপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মোহর আলী সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শনিবার সকাল সোয়া ছয়টার দিকে সর্ব কাশেমপুর আবাসন প্রকল্পের উত্তর-পশ্চিম পাশে দাউদ মাস্টারের ঘেরের ভেতরে একটি পুকুরে মানুষের দুই পা ভাসতে দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সকাল ৭টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহতের ডান চোখের ওপরে কপালে, ডান কানের পেছনে এবং মাথার পেছনের ডান পাশে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা গভীর রাতে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে রেখে যায়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি (অপারেশন) সুশান্ত ঘোষ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এদিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।