শেরপুরের নকলায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় হাসিম মিয়া (৩০) নামের এক লরিচালকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হামিদুর রহমান (৩৫) নামের লরির এক হেলপার গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) সকালে নকলা পৌর শহরের জালালপুর ম্যানেজার মার্কেটের সামনে ঢাকা-শেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হাসিম মিয়ার বাড়ি উপজেলার গৌড়দ্বার ইউনিয়নের তেঘরি গ্রামে। তিনি সামছুল হকের ছেলে।
আহত হামিদুর রহমানের বাড়ি পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি সুন্দরদঘি এলাকায় বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৯টার দিকে হাসিম একটি লরিতে বৈদ্যুতিক সামগ্রী নিয়ে ঢাকা-শেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে শেরপুর জেলা সদরের দিকে যাচ্ছিলেন। লরিটি জালালপুর ম্যানেজার মার্কেট এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে শেরপুরগামী একটি যাত্রীবাহী বাস লরিটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই লরিচালক হাসিম মিয়ার মৃত্যু হয় এবং হেলপার হামিদুর রহমান গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ আহতদের নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক হাসিমকে মৃত ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে গুরুতর আহত হামিদুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে যাত্রীবাহী বাসটি জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। তবে বাসের চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।