জরাজীর্ণ ভবনে চলছে ইউপি কার্যালয়, ক্ষুব্ধ সেবাপ্রার্থীরা

২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২০ PM
পাশাপোল ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়

পাশাপোল ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় © টিডিসি

টিনশেডের একটি ঘর। চেহারায় দারিদ্র্যের ছাপ। এটি নাকি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়! বাংলাদেশের অন্য কোথাও ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের এতো দুর্দশা আছে কি না সন্দেহ। জরাজীর্ণ ভবন হওয়ায় এখানকার সেবার মানও বাড়ে না, কমে না সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি। মামলার কারণে নতুন ভবনও হচ্ছে না, মানুষের ভোগান্তিও কমছে না। 

এটি যশোরের চৌগাছা উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়ন পরিষদের চিত্রে। এই ইউনিয়নের পূর্বে যশোর সদর আর দক্ষিণে ঝিকরগাছা উপজেলার অবস্থান।

পাশাপোল ইউনিয়নের জনসংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। ইউনিয়নে কলেজ ও মাধ্যমিক স্কুলের সংখ্যা ৪ ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৮টি। এক সময়ের অবহেলিত এ ইউনিয়নে এখন চলাচলের রাস্তা ভালো, শিক্ষা, কৃষি সব দিক দিয়ে উপজেলার অন্য যে কোনো ইউনিয়নের চেয়ে এর অবস্থান কম নয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, ইউনিয়নের পাশাপোল গ্রামে একটি দোকানঘরের মতো টিনশেডে চলছে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম। শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও অনেকে এসেছেন ব্যক্তিগত কাজে। কিন্তু পরিষদ ভবনের বেহালদশায় তারা ক্ষুব্ধ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাশাপোল ইউনিয়নটি মূলত পূর্ব-পশ্চিম লম্বা। পূর্ব পাশে হাউলি, দুড়িয়ালী, মালিগাতি, সুরেশ্বরকাটি, রানীয়ালী কালিয়াকুন্ডি, গোবিন্দপুর গ্রামের অবস্থান। গ্রামগুলো নিচু এলাকাতে অবস্থিত। এখানে সব থেকে বেশি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাস। পক্ষান্তরে পশ্চিমপাশে পাশাপোল, দশপাকিয়া, রঘুনাথপুর, পলুয়া, খলশী, কালকেপুরসহ বেশ কিছু গ্রাম রয়েছে।

দেশ স্বাধীনের পর পাশাপোলের মো. খাইরুজ্জামান পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্বাচনের পর কোনো ভবন না থাকায় নিজের ব্যবস্থাপনাতেই চালাতেন অফিস। এরপর পলুয়া গ্রামের শুকুর আলী হন চেয়ারম্যান, তিনিও খলশী বাজারে বসে অফিসের কাজ করতেন। একইভাবে পাশাপোলের আবু সাঈদ চেয়ারম্যান হয়ে নিজ এলাকায় বসে কাজ করতেন।

পর্যায়ক্রমে মাও. আব্দুল কাদের, ইমামুল হোসেন টুটুল, শাহিনুর রহমান শাহিন, আবুল কাশেম এবং সর্বশেষ অবাইদুল ইসলাম সবুজ চেয়ারম্যান হন। তারা নিজ নিজ এলাকাতে অফিস করে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। এতে করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আসবাব সর্বোপরি জনগণের ভোগান্তি লেগেই আছে।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের ভবনটি কোথায় হবে পূর্ব পাশে, অর্থাৎ হাউলি দুড়িয়ালী না পশ্চিম পাশে পাশাপোল দশপাকিয়ায়- এটা নিয়ে চলে রশি টানাটানি। একপর্যায়ে ১৯৯২ সালে আদালতে এ নিয়ে একটি মামলা হয়, যা আজও চলমান। মামলার কারণে ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী ভবন নির্মিত হয়নি।

পাশাপোল, দশপাকিয়া গ্রামের বাসিন্দা মাস্টার তোফাজ্জল ইসলাম বলেন, পাশাপোলে যে স্থানটিতে বসে এখন কার্যক্রম চলছে সেখানে ৫৪ শতক জমি আছে। স্থানটি অনেকটাই ইউনিয়নের মাঝবরাবর বলা চলে। সব কিছু ভুলে এই জায়গায় যদি নতুন ভবন হয়, তাহলে গোটা ইউনিয়নের মানুষ ভালোভাবে সেবা পাবেন।

বড় চমক দেখাল ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, দুইদিনে ফলোয়ার ছাড়…
  • ২১ মে ২০২৬
পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পিডিবির, ভোক…
  • ২১ মে ২০২৬
দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলো রামিসা
  • ২১ মে ২০২৬
নির্মাণ শ্রমিক কর্তৃক নারী শিক্ষার্থী হেনস্তা, নোবিপ্রবিতে …
  • ২১ মে ২০২৬
পশুর হাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে বন্ধ ইজারা কার…
  • ২১ মে ২০২৬
আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়া ইবোলা ভাইরাসের বৈশ্বিক ঝুঁকি কতখানি?
  • ২১ মে ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
21 June, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081