ফেনী থেকে

ঈদ পরবর্তী চারদিন বন্ধ থাকবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেন, ভোগান্তির শঙ্কা

১৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৫ AM
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক © টিডিসি ফটো

আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর সেতু মেরামত কাজের জন্য ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর রামপুর এলাকায় চট্টগ্রামমুখী একটি লেন চারদিনের জন্য বন্ধ রাখা হবে। পরবর্তী সময় আরও কয়েকদিন এক লেনে যান চলাচল অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ।

এ সিদ্ধান্তে ঈদের ছুটি শেষে ঢাকামুখী যাত্রীদের ফিরতি যাত্রায় কিছুটা ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এই অংশে লেন সীমিত হয়ে পড়ায় যানবাহনের গতি কমে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে, পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই মেরামত কাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঈদের পর সাধারণত সড়কে যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কম থাকে এবং ভারী যানবাহনের চলাচলও সীমিত থাকে। এ কারণে জনভোগান্তি কমাতে এ সময়টিকেই উপযুক্ত মনে করা হয়েছে।

সওজ আরও জানায়, মেরামত কাজ দ্রুত শেষ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে স্বল্প সময়ের মধ্যেই মহাসড়কের স্বাভাবিক যান চলাচল পুনরুদ্ধার করা যায়।

সড়ক বিভাগ ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রামপুর সেতুর মেরামত কাজ আগামী ২২ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত চলবে। এর মধ্যে ২২ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত চট্টগ্রামমুখী লেন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে এবং ২৬ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত একলেনে যান চলাচল করবে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বিকল্প হিসেবে কয়েকটি সড়ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের র‍্যাব অফিস সংলগ্ন ইউটার্ন থেকে রামপুর ব্রিজ পরবর্তী ইউটার্ন পর্যন্ত দুই লেনকে সাময়িকভাবে একমুখী ব্যবহার, ফতেহপুর স্টারলাইন পাম্প হয়ে সালাউদ্দিন মোড়, ট্রাক রোড, জিরো পয়েন্ট হয়ে লালপোল, বিসিক মোড় (গ্যাস কোম্পানি) হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মোড়, সালাউদ্দিন মোড়, ট্রাক রোড, জিরো পয়েন্ট হয়ে লালপোল এবং মহিপাল এসএসকে রোড হয়ে ট্রাক রোড, জিরো পয়েন্ট হয়ে লালপোল সংযোগ সড়ক।

তবে স্থানীয়দের মতে, এসব বিকল্প সড়কের বেশিরভাগই শহরের অভ্যন্তরীণ এবং ভারী যান চলাচলের জন্য পুরোপুরি উপযোগী নয়। এতে শহরের ভেতরে যানবাহনের চাপ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের আগে ও পরে এই মহাসড়ক দেশের সবচেয়ে ব্যস্ত রুটগুলোর একটি। এ সময়ে বিপুল সংখ্যক মানুষ বাড়ি ফেরা ও কর্মস্থলে ফিরতে এই সড়ক ব্যবহার করেন। তাই এই সময় লেন বন্ধ থাকলে কিছুটা ভোগান্তি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমা বলেন, ঈদ পরবর্তী সময়েই কাজটি করার উপযুক্ত সময় হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি জানান, ঈদের পর তিন থেকে চার দিন যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কম থাকে এবং ভারী যান চলাচলও সীমিত থাকে। এছাড়া সরকারি ছুটি থাকায় সড়কে যানবাহনের সংখ্যা কম থাকে।

তিনি আরও বলেন, বন্যাকালীন সময়ে সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই দ্রুত মেরামত কাজ সম্পন্ন করা প্রয়োজন। এক লেন দিয়ে যান চলাচল অব্যাহত থাকায় সাময়িক কিছু চাপ থাকলেও বড় ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর আট কার্ডে যত সেবা পাবেন জনগণ
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
মব সৃষ্টি করে ক্যাম্পাস অশান্ত করলে শিক্ষার্থীদের সুখকর হবে…
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে গভীর রাতে ছাত্রীসহ কর্মকর্তা আটক, তদন্…
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
শত শত পদ খালি, অপেক্ষমাণ তালিকা নিয়ে গড়িমসি
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
অবরোধ উপেক্ষা করে হরমুজ পার হলো রুশ প্রমোদতরি
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
১০ বছরের বড় খালাতো বোনের সঙ্গে প্রেম, বিয়ে নিয়ে টানাপোড়েনে …
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬