প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২১ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পাওয়ায় তারা জামানত হারান।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের স্বাক্ষরিত ফলাফলপত্র যাচাই করে এ তথ্য জানা যায়।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম ৮৬ হাজার ৮১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাপলা কলি প্রতীকের মাহবুব আলম পান ৫৯ হাজার ২৬৫ ভোট। আসনটিতে মোট ১ লাখ ৬২ হাজার ৯৬২ ভোট পড়েছে, যা মোট ভোটারের ৫৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২০ হাজার ৩৭০ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-২ আসনে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে ধানের শীষের প্রার্থী আবুল খায়ের ভূঁইয়া ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া পান ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৯৮ ভোট। এ আসনে ২ লাখ ৯৭ হাজার ২৭০ ভোট পড়েছে (৬০ দশমিক ১৭ শতাংশ)। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩৭ হাজার ১৫৮ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে ধানের শীষের শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার রেজাউল করিম পান ১ লাখ ২২ হাজার ৮০২ ভোট। এ আসনে ২ লাখ ৭২ হাজার ৪৩০ ভোট পড়েছে (৬১ দশমিক ২৯ শতাংশ)। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩৪ হাজার ৫৩ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে ধানের শীষের এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান ১ লাখ ১৫ হাজার ১৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার এ আর হাফিজ উল্যাহ পান ৭৩ হাজার ৭৫৬ ভোট। আসনটিতে ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৬৭ ভোট পড়েছে (৫৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ)। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩০ হাজার ১২০ ভোট।
নির্বাচন কমিশনের পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পেলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনে মোট ২১ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।