ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড

আনোয়ারায় সিএনজিচালক সজ্জাদ হত্যায় জড়িত ‘মূল হত্যাকারী’ গ্রেপ্তার

০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৫৬ PM
গ্রেপ্তার লিয়াকত আলী ও হত্যাকাণ্ডের শিকার মো. সজ্জাদ

গ্রেপ্তার লিয়াকত আলী ও হত্যাকাণ্ডের শিকার মো. সজ্জাদ © সংগৃহীত

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সিএনজিচালক মো. সজ্জাদ (২২) হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সর্বশেষ গ্রেপ্তারের মাধ্যমে আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত মোট ছয়জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, পলাতক আরও দুই আসামিকে ধরতে অভিযান চলছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (৩১ জানুয়ারি) গভীর রাতে চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় বাংলাদেশ কনভেনশন হলের সামনে থেকে লিয়াকত আলীকে (৪৮) গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার লিয়াকত আলী চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ২ নম্বর সাধনপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের লটমনি এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত শফিকুল ইসলামের ছেলে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের রাতে সজ্জাদের হাত-পা বাঁধার জন্য গামছা কেনেন লিয়াকত আলী। পরে দুটি ধারালো ছুরি দিয়ে তাকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। মরদেহের পরিচয় শনাক্তে বাধা সৃষ্টি করতে চোখ উপড়ে ফেলার মতো নৃশংসতার প্রমাণও তদন্তে পাওয়া গেছে।

পুলিশ জানায়, মামলার রহস্য উদঘাটনে প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তাকে শনাক্ত করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিয়াকত আলী হত্যাকাণ্ডে নিজের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগরসহ বিভিন্ন উপজেলায় ছিনতাই ও চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সক্রিয় সদস্য।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, এ হত্যাকাণ্ডে এর আগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সর্বশেষ গ্রেপ্তারের মাধ্যমে মোট ছয়জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার লিয়াকতকে আজ দুপুরে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিহত সজ্জাদ আনোয়ারা উপজেলার হাজীগাঁও এলাকার বাসিন্দা। পেশায় তিনি সিএনজি অটোরিকশাচালক ছিলেন। গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর সিএনজি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন তিনি। চার দিন পর ১৮ সেপ্টেম্বর বরুমছড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে হাজী নুরুল হকের একটি ফিশারিজ পুকুরের পাড়ের নিচে পানি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. নাছিরবাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টর্চ জ্বালিয়ে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ, আহত ৩০
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সাময়িক বন্ধ ছিল কার্যক্রম, ভুল ব্যাখ্যায় ব…
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
চাঁদা দাবি ও জমি দখলের চেষ্টা, অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা প্রদর্শনী স্থগিত
  • ২৭ এপ্রিল ২০২৬
জামায়াত এমপির গাড়িতে হামলা: বিএনপি-ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্ক…
  • ২৬ এপ্রিল ২০২৬
একনেকে ১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
  • ২৬ এপ্রিল ২০২৬