সুন্দরবনে পর্যটকবাহী নৌযান ধর্মঘট, বিপাকে দর্শনার্থীরা

০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫০ PM
ধর্মঘট পালন করছে সুন্দরবনে পর্যটকবাহী নৌযান

ধর্মঘট পালন করছে সুন্দরবনে পর্যটকবাহী নৌযান © টিডিসি

সুন্দরবনে চলাচলকারী পর্যটকবাহী নৌযান (জালি বোট) নিবন্ধনের আওতায় আনার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছে নৌযান মালিকরা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে মোংলা বন্দর এলাকার সকল পর্যটকবাহী ট্রলার ও জালি বোট চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে সুন্দরবনে ঘুরতে আসা শত শত দর্শনার্থী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝি-মাল্লা সংঘের ব্যানারে এ ধর্মঘট পালন করা হচ্ছে। সংগঠনটির দাবি, নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর ও কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযানে কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তাদের জালি বোটের ওপরের অংশের অবকাঠামো কেটে ও ভেঙে নেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, রবিবার মোংলা ঘাট থেকে সুন্দরবনের করমজলসহ বিভিন্ন এলাকায় চলাচলকারী পর্যটকবাহী ট্রলার ও জালি বোটকে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনের আওতায় আনতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর (খুলনা) ও কোস্টগার্ড।

ধর্মঘটের কারণে দিনভর কোনো নৌযান না চলায় সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারেননি অনেক পর্যটক। যশোর থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক আবু তালেব বলেন, ধর্মঘটের বিষয়টি আগে জানতাম না। অনেক কষ্ট করে এখানে এসেছি, কিন্তু সুন্দরবনে যেতে পারলাম না। অনেক দর্শনার্থী নৌযান না পেয়ে ফিরে গেছেন।

সুন্দরবনের করমজল পর্যটনকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির জানান, সকাল থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো পর্যটক বা নৌযানের উপস্থিতি নেই। শুনেছি ট্রলার মালিকরা ধর্মঘট ডেকেছে।

মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝি-মাল্লা সংঘের দাবি, মোংলায় প্রায় ৪০০টি পর্যটকবাহী জালি বোট রয়েছে। প্রতিটি বোটের ট্রেড লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকলেও অভিযানের সময় অন্তত ৩০টি বোটের ওপরের অংশের অবকাঠামো ভেঙে নেওয়া হয়েছে। এতে নৌযানের সৌন্দর্য ও পর্যটকদের বসার সুবিধা নষ্ট হয়েছে।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সোহাগ হাওলাদার বলেন, আমরা মূলত পরিত্যক্ত ফরেন শিপের জালি বোট সংস্কার করে পর্যটকদের যাতায়াতের কাজে ব্যবহার করি। কোস্টগার্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি বোটে সর্বোচ্চ ১০ জন পর্যটক বহন করা হয়। আমাদের ট্রেড লাইসেন্স আছে, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমতিও রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর নতুন করে লাইসেন্স নিতে বলছে, যেখানে বছরে ২৫ হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা মাত্র তিন মাস ব্যবসা করতে পারি। প্রতিবছর ২৫ হাজার টাকা দেওয়া আমাদের পক্ষে অসম্ভব। লাইসেন্স ফি ১০ হাজার টাকা করা হলে হয়তো আমরা তা দিতে পারবো, যোগ করেন তিনি।

অন্যদিকে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর, খুলনার পরিদর্শক মো. রাশেদুল আলম বলেন, অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল অধ্যাদেশ-১৯৭৬ অনুযায়ী ১৬ হর্সপাওয়ার বা তার বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন ইঞ্জিনযুক্ত সকল নৌযানকে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের লাইসেন্সের আওতায় আসতে হবে।

তিনি বলেন, আইন বাস্তবায়নের জন্য কোস্টগার্ড ও নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আইন মানতে হবে। কেউ আইন না মানার জন্য ধর্মঘট করলে আমাদের করার কিছু নেই, বলেন তিনি।

বাংলাদেশের শুল্ক কমানোর প্রস্তাব, ইতিবাচক আশ্বাস মার্কিন বা…
  • ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
শিক্ষক নিয়োগ দেবে গণ বিশ্ববিদ্যালয়, আবেদন সরাসরি-ডাকযোগে
  • ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
ব্যালট পেপার পরিবহনে বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইসির নির্দেশনা
  • ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপি-জামায়াত কি জাতীয় সরকার গঠন করবে?
  • ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
শেষ হলো চবির ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা, প্রশ্ন দেখুন
  • ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
রাতে খাবার পর যে ৫ অভ্যাসে দূর হবে বদহজম
  • ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9