নেত্রকোনায় কথাসাহিত্যের হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মদিন উদযাপন

১৩ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:২২ PM
কেন্দুয়ায় নানা আয়োজনে হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে

কেন্দুয়ায় নানা আয়োজনে হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে © টিডিসি

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এমন কিছু নাম রয়েছে, যাদের কলমে শব্দ হয়ে ওঠে অনুভূতির ভাষা। তাদের মধ্যে অন্যতম হুমায়ূন আহমেদ। আজ (১৩ নভেম্বর) এই সাহিত্য জাদুকরের ৭৭তম জন্মদিন। কেন্দুয়ায় নানা আয়োজনে বাংলা সাহিত্যের বরপুত্র হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মদিন উদযাপন হয়েছে।

১৯৪৮ সালের এই দিনে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বা শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ফয়জুর রহমান আহমদ এবং মা আয়েশা ফয়েজ ছিলেন সাহিত্যপ্রেমী ও সংবেদনশীল নারী। এমন পারিবারিক পরিবেশেই গড়ে ওঠে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকদের একজন হুমায়ূন আহমেদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়নে অধ্যয়নের পর তিনি শিক্ষকতা শুরু করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তবে তার প্রকৃত সত্তা ছিল সাহিত্যিক ও গল্পকারের।

১৯৭২ সালে প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ দিয়েই তিনি পাঠকের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। এরপর ‘শঙ্খনীল কারাগার’, ‘এইসব দিনরাত্রী’, ‘দারুচিনি দ্বীপ’, ‘জোছনা ও জননীর গল্প’, ‘বাদশাহ নামদার’ সহ অসংখ্য জনপ্রিয় উপন্যাস রচনা করে তিনি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।

তার সৃষ্টি মিসির আলি, হিমু, বাকের ভাই, রুপা, শুভ্র কিংবা তিথির মতো চরিত্র আজও পাঠকের মনে অম্লান। সাহিত্য ছাড়াও টেলিভিশন নাটক ও চলচ্চিত্রে তিনি ছিলেন এক অগ্রদূত। ‘এইসব দিনরাত্রী’, ‘বহুব্রীহি’, ‘কোথাও কেউ নেই’সহ অসংখ্য নাটক এবং ‘আগুনের পরশমণি’, ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’, ‘ঘেটুপুত্র কমলা’সহ একাধিক চলচ্চিত্র তাকে দিয়েছে অনন্য উচ্চতা।

২০১২ সালের ১৯ জুলাই নিউইয়র্কে মৃত্যুবরণ করলেও তার লেখা, চরিত্র ও সিনেমার মাধ্যমে আজও বেঁচে আছেন হুমায়ূন আহমেদ। পাঠকের ভালোবাসাতেই তিনি অমর হয়ে আছেন বাংলা সাহিত্যের চিরন্তন নক্ষত্র হিসেবে।

ড. হুমায়ুন আহমেদের জন্ম দিন উপলক্ষে তার প্রতিষ্ঠিত নিজ গ্রাম কুতুবপুরে শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠে দিন ব্যাপী পবিত্র কোরআন খতম,আনন্দ র‍্যালী, প্রকৃতিতে পুষ্প স্তবক অর্পণ, জন্ম দিনের কেক কাটা ও বিতরণ, বৃক্ষ রোপণ ও কুইজ,স্যারের নির্মিত নাটক ও সিনেমার অংশ বিশেষ অভিনয় ও শেষে পুরষ্কার বিতরণ ও সমাপনী বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক তালুকদারসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ,সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবকবৃন্দসহ বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। 

মোটরসাইকেলে প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিল তিন ছাত্র, পথে প্রাণ ঝরল …
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে শিক্ষকদের পেনশন দিতে হবে: আখতার হোসেন
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় চতুর্থ ফেনী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা…
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহন, ভিডিও ভাইরাল
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
দ্বিতীয়বার কন্যাসন্তানের বাবা হলেন সাইফউদ্দিন
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল এসআরবি কর্মকর্তার
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬