দেশের বন্ধ নৌপথ সচলের দাবিতে ‘তিতাস থেকে বুড়িগঙ্গা’ প্রতীকী যাত্রা শুক্রবার

২৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৭:৫০ PM , আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৮:০১ PM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত

সারাদেশে বন্ধ হয়ে যাওয়া নৌপথ পুনরুদ্ধার ও সচলের দাবিতে নদীপথে প্রতীকী যাত্রা শুরু করছে নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষা সামাজিক আন্দোলন ‘তরী বাংলাদেশ’। আগামীকাল শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ৬টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর আনন্দবাজার ঘাট থেকে ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে ‘তরী বাংলাদেশ’।

পরে বিকেল ৪টায় সদরঘাটে বিআইডব্লিউটিএ'র নতুন টার্মিনাল ভবনের দ্বিতীয় তলায় ‘নদী–সুরক্ষা বিষয়ক মতবিনিময় সভা’ করবে সংগঠনটি। এতে পরিবেশ আন্দোলনের কর্মী, গবেষক, নৌপরিবহন বিশেষজ্ঞ, সরকারি সংস্থার প্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা অংশ নেবেন।

পরদিন শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ৬টায় বুড়িগঙ্গা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট পরিদর্শন শেষে পুনরায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদী অভিমুখে ফেরার মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটবে।

আরও পড়ুন: এক চেয়ারের লড়াই ৬৩ জনের, মাউশির ডিজি তালিকায় শীর্ষে কারা?

আয়োজকরা জানান, নৌপথ দখল, দূষণ ও নাব্যতা সংকটে বিপন্ন নদীগুলোর অস্তিত্ব রক্ষার দাবিতে এই প্রতীকী যাত্রা আয়োজন করা হয়েছে।

‘তরী বাংলাদেশ’-এর আহ্বায়ক শামীম আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের নদীগুলো আজ চরম অস্তিত্ব সংকটে। একসময় ২৪ হাজার কিলোমিটারের বেশি নদীপথ নৌচলাচলের উপযোগী ছিল, বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার কিলোমিটারের নিচে। দখল, দূষণ, ভরাট ও প্রবাহ সংকটে নদীগুলোর স্বাভাবিক জীবনধারা ভেঙে পড়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নদী বাঁচাতে রাষ্ট্র, প্রশাসন ও নাগরিক সমাজের যৌথ উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি। অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ, শিল্পবর্জ্য নিয়ন্ত্রণ ও নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা ছাড়া নদীর প্রাণ ফেরানো সম্ভব নয়। ‘তরী বাংলাদেশ’ মনে করে, নৌপথ সচল হলে সড়কপথের চাপ কমবে, পরিবেশ রক্ষা পাবে এবং দেশের অর্থনীতি লাভবান হবে।

এমবাপ্পের জোড়া গোল, দারুণ জয় ফ্রান্সের
  • ১৭ জুন ২০২৬
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল
  • ১৭ জুন ২০২৬
১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া জামায়াত নেতা বললেন- পিতা মুক্তিযুদ্ধে …
  • ১৭ জুন ২০২৬
বেদেপল্লিতে এসি লাগিয়ে মাদক ব্যবসা
  • ১৭ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বা…
  • ১৭ জুন ২০২৬
ব্রাজিলের ৬৪ বছরের রেকর্ড ভাঙতে পারবে আর্জেন্টিনা?
  • ১৭ জুন ২০২৬
×