গাইবান্ধায় তীর্থস্থানের নতুন ঠিকানা

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৫ PM , আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০১:০৬ PM
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ ও কালী মন্দির কমপ্লেক্স

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ ও কালী মন্দির কমপ্লেক্স © টিডিসি ফটো

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ ও কালী মন্দির কমপ্লেক্সটি ইতিমধ্যে দেশব্যাপী তীর্থযাত্রীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। এর মূল আকর্ষণ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদিযোগী শিবমূর্তি, যা এই মন্দির প্রাঙ্গণে অবস্থিত।

২৮ ফুট উচ্চতা ও তিন টন ওজনের এই বিশাল শিবমূর্তিটি দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম। স্থানীয় বাসিন্দা ও মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী হরিদাস বাবু নিজে এর নকশা প্রণয়ন করেন। কারিগর মালাকর বিধান মহন্তের দক্ষ হাতে তা বাস্তব রূপ পায়।

বর্তমানে এখানে আরও একটি বিশাল মূর্তি নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে, যার কাজ প্রায় শেষের পথে। ৫৩ ফুট উচ্চতার এই কৃষ্ণমূর্তিটি হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার কৃষ্ণমূর্তি। মন্দির কমপ্লেক্সটি মোট ১৩৮ শতক জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। এখন পর্যন্ত এর নির্মাণ কাজে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৭ কোটি টাকা। 

মন্দির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে চার হাজার দর্শনার্থী এখানে পরিদির্শনে আসেন। সপ্তাহের বিশেষ দিনে কিংবা উৎসবের সময় এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার পর্যন্ত। দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে বিনামূল্যে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা। রয়েছে সুইমিংপুল, কৃত্রিম পাহাড় ও শিশুপার্ক।

মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিপুল চন্দ্র বর্মন জানান, এই মন্দির কমপ্লেক্সে সর্বমোট ১৪৪টি মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে পাঁচটি মন্দির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয়দের সহযোগিতা এবং স্বেচ্ছাসেবকদের কঠোর প্রচেষ্টায় এই প্রকল্প এগিয়ে চলেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা হরিদাশের মতে, এই মন্দিরের কারণে এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি এসেছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের ভিড়ে ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। 

মন্দির প্রতিষ্ঠাতা শ্রী হরিদাস বাবু সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে এই প্রকল্পকে আরও উন্নত করার আশা প্রকাশ করেছেন। তার ভিশন হলো, এই স্থানটি যেন হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থানে পরিণত হয়।

এই মন্দির কমপ্লেক্সটি তার দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য, সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা এবং আধ্যাত্মিক পরিবেশের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষকে আকর্ষণ করছে। এটি গাইবান্ধাকে বাংলাদেশের পর্যটন মানচিত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অবস্থানে নিয়ে যাবে বলে আশাবাদী এলাকার জনসাধারণ। 

চট্টগ্রামে জুলাই যোদ্ধা ওপর হামলার অভিযোগ
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ছাত্রদলে মেধাবী ও রানিং শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে চায় কবি নজর…
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬
এনএসইউতে এসএইচএসএস গ্র্যাজুয়েট কলোকিয়াম অনুষ্ঠিত
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬
সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করছ…
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধিদলের সাক…
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬
এনডিএম থেকে মহাসচিব মোমিনুল আমিনের পদত্যাগ
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬