প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তব্য দিচ্ছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া © টিডিসি
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার অবশ্যই ইতিবাচক, নৈতিক ও দায়িত্বশীল হতে হবে। এর মাধ্যমে গবেষণার গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার উৎকর্ষ সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।'
পাঠদান, গবেষণা এবং প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞানচর্চায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।
রবিবার (২৮ জুন) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (জিটিআই) শ্রেণিকক্ষে ‘পাঠদান ও গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে এ ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থীদের নিজস্ব চিন্তাশক্তি, বিশ্লেষণক্ষমতা ও জ্ঞানচর্চা কিছু ক্ষেত্রে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী নিজে কাজ না করে অ্যাসাইনমেন্ট ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রমে এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে, যা উদ্বেগের বিষয়।
জিটিআইয়ের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন।
অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন বলেন, শিক্ষকদের জন্য এ ধরনের কর্মশালা সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আগামী বছর এ কর্মশালার পরিধি আরও বাড়িয়ে সিনিয়র শিক্ষকদের পাশাপাশি জুনিয়র শিক্ষকদেরও অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা যেতে পারে।
তিন দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ৩০ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করছেন।