দেশি কৃষিপণ্য ও প্রযুক্তির উন্নয়নে আরও বেশি কাজ করতে হবে: বাকৃবি উপাচার্য

২০ জুন ২০২৬, ০৩:০৫ PM
প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া

প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া © টিডিসি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি সব সময় দেশি পণ্য ব্যবহারে উৎসাহ দিয়ে থাকি। কারণ, দেশি পণ্য হারিয়ে গেলে আমরা বিদেশি পণ্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ব। তাই দেশি কৃষিপণ্য ও প্রযুক্তির উন্নয়নে আমাদের আরও বেশি কাজ করতে হবে।’

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) নিরাপদ সবজি উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব জৈব বালাইনাশকের ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং গবেষণার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শনিবার (২০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের এমএস শ্রেণিকক্ষে আয়োজিত কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। ‘ডেভেলপমেন্ট অব কমার্শিয়াল বায়োপেস্টিসাইড বেজড অন নেটিভ এনটোমোপ্যাথোজেনিক ফাঙ্গাই (ইপিএফ) ফর সেইফ ভেজিটেবল প্রোডাকশন থ্রু একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি কোলাবোরেশন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। প্রকল্পটি হিট-এটিএফের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

উপাচার্য বলেন, ‘দেশি উপাদান ব্যবহার করে জৈব বালাইনাশক উৎপাদনে গবেষকদের এগিয়ে আসতে হবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে যদি এমন কোনো কার্যকর জৈব বালাইনাশক উদ্ভাবন করা যায়, যা রাসায়নিক বালাইনাশকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হবে, তাহলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গৌরব বয়ে আনবে এবং দেশের কৃষিখাতও উপকৃত হবে। আমি এ প্রকল্পের সার্বিক সফলতা কামনা করছি।’

কর্মশালায় প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কীটতত্ত্ব বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. কৃষ্ণা রানী দাস। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্পের সাব-প্রকল্প ব্যবস্থাপক (এসপিএম) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন হাওলাদার।

অধ্যাপক ড. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, কৃষিতে রাসায়নিক বালাইনাশকের বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব জৈব বালাইনাশক উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গবেষণা ও শিল্প খাতের সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন বলেন,  কৃষির উন্নয়নে উদ্ভাবনী গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। গবেষণার ফলাফল তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা কৃষকের কাছে সহজলভ্য, নির্ভুল ও ব্যয়-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি হিসেবে পৌঁছাতে পারে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গবেষণার মানোন্নয়ন এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে উৎসাহিত করবে। একই সঙ্গে এ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের কৃষি খাতের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে উঠবে।

বন্ধুদের নিয়ে চায়ের দোকানে এইচএসসি পরীক্ষার খাতা দেখছিলেন শ…
  • ০২ আগস্ট ২০২৬
‘সরকারের উন্নয়নকাজের সুফল দেশের মানুষ পেতে শুরু করেছে’
  • ০২ আগস্ট ২০২৬
ইউএইচএফপিও থেকে বদলির পর সিভিল সার্জন হয়ে ফেরা ডা. মনিরুজ্জ…
  • ০২ আগস্ট ২০২৬
চীনে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে নিহত বেড়ে ২৫, বাড়তি সতর্কতা জারি
  • ০২ আগস্ট ২০২৬
ঢাকাসহ ৩ জেলায় নিয়োগ দেবে সুলতান’স ডাইন, আবেদন এইচএসসি পাসেই
  • ০২ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষা মন্ত্রণালয়-এনটিআরসিএর সভা মঙ্গলবার, আলোচনায় ৪ ইস্যু
  • ০২ আগস্ট ২০২৬