চুয়েট লোগো © সংগৃহীত
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের পঞ্চম পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রমের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ৩ মে (রবিবার) এই পর্যায়ের ভর্তি প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে।
২৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) চুয়েটের স্নাতক ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ভর্তি সংক্রান্ত এ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পঞ্চম ধাপে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে ভর্তির জন্য মূল মেধা তালিকার ৩৫০১ থেকে ৪০০০ মেধাক্রমে থাকা শিক্ষার্থীদের নিরীক্ষা বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি স্থাপত্য বিভাগের মূল মেধা তালিকার ১৩১ থেকে ১৩৫ মেধাক্রমে থাকা শিক্ষার্থীদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে নিরীক্ষা বোর্ডে উপস্থিত প্রার্থীদের মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। উপস্থিত প্রার্থীর সংখ্যা নির্ধারিত শূন্য আসনের অধিক হলে মেধাক্রম অনুযায়ী একটি অপেক্ষমান তালিকা সংরক্ষণ করা হবে। পরবর্তীতে কোনো আসন শূন্য হলে সংরক্ষিত তালিকা হতে মেধাক্রমের ভিত্তিতে প্রার্থীদের পর্যায়ক্রমে ভর্তির জন্য আহ্বান করা হবে।
ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষার মূল সনদপত্র ও ট্রান্সক্রিপ্ট, উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও ট্রান্সক্রিপ্ট এর মূল কপি, প্রশংসাপত্র এর মূল কপি, দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং হল প্রত্যবেক্ষকের স্বাক্ষর সম্বলিত ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র সঙ্গে আনতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভর্তিচ্ছুদের অবশ্যই ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইট থেকে ‘অনলাইন চয়েস ফরম’ ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ফরম ডাউনলোড করে প্রিন্টসহ উপস্থিত থাকতে হবে। ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে পাওয়া যাবে। নির্ধারিত তারিখে কেউ উপস্থিত হতে ব্যর্থ হলে তার ভর্তির যোগ্যতা বাতিল বলে গণ্য হবে।
এছাড়াও প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে স্বীকৃত ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে প্রাপ্ত রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার প্রতিবেদন আনতে হবে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় চশমা ব্যবহারকারী শিক্ষার্থীদের চশমা সঙ্গে রাখতে হবে।
ইতোপূর্বে গত বুধবার (২২ এপ্রিল) চতুর্থ পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। এই ধাপে ভর্তি শেষে মোট ৯২০ টি আসনের বিপরীতে এখনো ২৩ টি আসন ফাঁকা রয়েছে।