পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা © ফাইল ফটো
নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্যতা সম্পন্ন সবাই ২০২০-২১ শিক্ষা বর্ষে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবেন। মেডিকেলে সিলেকশন পদ্ধতি অনুযায়ী শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে না। এসএসসি ও এইচএসসি মিলে জিপিএ ৯.০০ পেলেই ভর্তি পরীক্ষার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন ওই শিক্ষার্থীরা। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ওই সূত্র জানায়, ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির ধারণা অনুযায়ী মেডিকেলে ১ লাখ ২১ হাজারের মতো শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষার আবেদন করতে পারেন। সেজন্য বিজ্ঞপ্তিতে মেডিকেল কলেজগুলোর পরীক্ষা কেন্দ্রের আসন অনুযায়ী ১ লাখ ২১ হাজার সিটের কথা উল্লেখ করেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। তবে এর বেশি আবেদন করলেও তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে। যারা আগে আবেদন করবেন তারাই পরীক্ষার সুযোগ পাবেন বিষয়টি ঠিক নয় বলেও জানায় ওই সূত্র।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (স্বাস্থ্য শিক্ষা) ডা. একেএম আহসান হাবীব বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ভর্তি নীতিমালার শর্ত অনুযায়ী যোগ্যতা সম্পন্ন সবাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে আমরা কেন্দ্রেরে সংখ্যা বৃদ্ধি করবো।
তিনি আরও বলেন, এবার অটোপাসের কারণে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা বেশি হয়েছে। সেজন্য এমন প্রশ্ন আসছে। তবে আমরা কাউকে ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করতে চাই না। যোগ্যতা সম্পন্ন সবাইকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে আমরা কেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করবো। আমাদের সেই প্রস্তুতি নেয়া আছে।
এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নাগরিক যারা ২০১৭ বা ২০১৮ সালে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০১৯ বা ২০২০ সালে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় (পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানসহ) উত্তীর্ণ হয়েছেন তারা ভর্তি আবেদন করতে পারবেন। ২০১৭ সালের আগে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীরা আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।
বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী অনলাইনে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে আবেদন শুরু হয়ে চলবে ১ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। টেলিটক প্রিপেইড সিমের মাধ্যমে এক হাজার টাকা জমা দিয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।