এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর

৩০ আগস্ট ২০২৬, ০১:২২ PM
এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর

এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর © সংগৃহীত

সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় যেসব শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে বা শিক্ষা স্রোতধারা থেকে ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, তাদের রাষ্ট্র বোঝা হিসেবে দেখবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘আগের সরকার এসব অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভাবেনি। কিন্তু আমরা তাদের জন্য বিশেষ পলিসি তৈরি করছি।’ রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, ‘এসব তরুণদের টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি), স্বল্পমেয়াদি কারিগরি ও ভোকেশনাল কোর্সে যুক্ত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে। প্রয়োজনে তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।’

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের গুণগত পরিবর্তন ও মূল্যায়নের স্বচ্ছতা নিয়ে মাহদী আমিন বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী আমলে পরিসংখ্যান ভালো দেখানোর জন্য কৃত্রিমভাবে জিপিএ-৫ এর বন্যা ভাসিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি পরীক্ষা না দিয়েও পাস করিয়ে দেওয়ার কালচার (সংস্কৃতি) ছিল। আমরা সেই আত্মঘাতী পথ বন্ধ করেছি। এবার কোনো গ্রেস নম্বর দেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীরা শতভাগ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ মূল্যায়নে তাদের জিপিএ ও জেনুইন (সঠিক) ফলাফল পেয়েছে।’

বেকারত্ব দূরীকরণে সরকারের নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কর্মসংস্থানের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ (কর্মসংস্থান বিনিময় কেন্দ্র) চালু করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় কর্মক্ষম তরুণ-তরুণীরা তাদের দক্ষতার বিবরণ দিয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন। ফলে চাকরিদাতা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে চাকরিপ্রার্থীদের সরাসরি নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘বেসরকারি খাতকে সরাসরি যুক্ত করে এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া প্রথমে বিভাগীয় পর্যায়ে এবং পরবর্তীতে দেশের প্রতিটি জেলায় সম্প্রসারিত হবে। 

এতে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে অগ্রাধিকার দিয়ে জাতীয় অর্থনীত ও সামাজিক সুরক্ষার মূলধারায় সম্পৃক্ত করা হবে।’

বিদ্যালয়গুলোর বৈষম্য দূর করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গ্রামীণ ও শহরের বিদ্যালয়ের মধ্যে বৈষম্য দূর করতে দেশব্যাপী ‘প্রাইমারি স্কুল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ ও ‘ইনোভেশন ও স্টার্টআপ কম্পিটিশন’-এর মতো জাতীয় প্রতিযোগিতা চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় স্বীকৃতি পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘কেবল সনদসর্বস্ব শিক্ষা নয়, দক্ষতা, কর্মসংস্থান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন একটি প্রজন্ম তৈরির মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ক্লাস শুরুর তারিখ ঘোষণা
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
৮ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা, দেখুন এখানে
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
ফেনী সদর হাসপাতালে চিকিৎসায় ‘অবহেলায়’ সাপে কাটা রোগীর মৃত্য…
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
আরও মনিটরিংয়ের আওতায় প্রধান শিক্ষকরা, ৫ দিনের মধ্যে হোয়াটস…
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে নতুন পরিকল্পনা সরকারের
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ গজের মধ্যে সিগারেটের দোকান বন্ধের নি…
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬