এইচএসসি পরীক্ষার্থী © সংগৃহীত
সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবারই প্রথম সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় পরীক্ষার্থীদের মাঝে আগে থেকেই ছিল বাড়তি কৌতুহল ও উত্তেজনা। প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বের হওয়া শিক্ষার্থীদের চোখে-মুখে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। এ ছাড়া পরীক্ষার আগে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নানা বক্তব্যে শিক্ষার্থীরা চাপ অনুভব করেছেন বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।
পরীক্ষার্থীদের অনেকেই বলছেন, এবারের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) প্রশ্ন প্রথাগত ধারার বাইরে গিয়ে বেশ ‘ট্রিকি’ বা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে করা হয়েছে, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ কঠিন ছিল। অন্যদিকে, সৃজনশীল প্রশ্ন বা সিকিউ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে দ ‘রকম মত পাওয়া গেছে; কারো মতে প্রশ্ন ছিল মূলভাবের বাইরে ও কঠিন, আবার অনেকের কাছেই তা ছিল বেশ সহজ ও কমন।
এছাড়া বেশ কিছু কেন্দ্রে ‘সিঙ্গেল সিট’ পদ্ধতি এবং সিসিটিভি ক্যামেরা বা কড়া নজরদারির মতো প্রশাসনিক কড়াকড়ি অনেক শিক্ষার্থীর মনে শুরুতে কিছুটা আতঙ্ক তৈরি করলেও, মেধা যাচাইয়ের এই কড়া উদ্যোগকে সাধুবাদও জানিয়েছেন অনেকেই।
পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বের হয়ে এক পরীক্ষার্থী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, প্রশ্ন অনেক হার্ড হয়েছে। বিশেষ করে এমসিকিউটা অনেক হার্ড আসছে। বলতে গেলে বই থেকেই কোশ্চেন করেছে, কিন্তু একটু ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে। প্রথমবার অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয়েছে। এজন্য প্রথম দিনই এত কঠিন করা ঠিক হয়নি। এতে সবাই ঘাবড়িয়ে গেছে।
অপর এক পরীক্ষার্থী বলেন, আমরা রেগুলার যে টাইপের সিকিউ প্র্যাকটিস করছি, আসলে ওই টাইপ হয়নি। সিকিউটা ট্রিকি করেছে অনেক, আসল মূলভাব ওটা ছিল না।
পরীক্ষার জন্য নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ এবং শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে এক পরীক্ষার্থী বলেন, যা করেছেন, ভালো। তবে উনি যেভাবে আমাদের পরীক্ষার আগে প্রেসার ক্রিয়েট করেছেন যে— আমি এটা করব এটা করব, এরপরে বডিওর্ন ক্যামেরা; এগুলো দিয়ে আমাদেরকে বিভ্রান্ত করে ফেলেছেন। আমরাও টেনশনে পড়ে গিয়েছিলাম যে এটা আবার কোন ধরনের জিনিস। কিন্তু এখানে দেখি যে না, অত কিছু না। জাস্ট সিকিউরিটি বৃদ্ধি করেছে।