বিমান হামলা © ফাইল ফটো
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ার মধ্যে কাতারে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একই সময়ে বাহরাইনে বিমান হামলার সতর্কতাসূচক সাইরেন বাজানো হয়েছে। দুই দেশই নাগরিক ও বাসিন্দাদের ঘরে বা নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির নিরাপত্তা হুমকির মাত্রা বর্তমানে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। তাই সবাইকে নিজ নিজ বাড়ি বা নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, নিরাপত্তা–সংক্রান্ত নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে চলাচল থেকে বিরত থাকতে হবে।
অন্যদিকে বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশজুড়ে বিমান হামলার সতর্কতাসূচক সাইরেন চালু করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় নাগরিক ও বাসিন্দাদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সবাইকে দ্রুত নিকটস্থ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ওমানের পূর্বে প্রায় ৯ নটিক্যাল মাইল (প্রায় ১৬ দশমিক ৭ কিলোমিটার) দূরে একটি সামুদ্রিক ঘটনার খবর পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় সাইপ্রাসের পতাকাবাহী কনটেইনার জাহাজ এম/ভি জিএফএস গ্যালাক্সিতে হামলা চালায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
সেন্টকমের দাবি, হামলার পর জাহাজটিতে আগুন লাগে এবং ইঞ্জিন কক্ষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে একজন বেসামরিক ক্রু সদস্য নিখোঁজ হন। ক্ষতির কারণে জাহাজটি আর যাত্রা চালিয়ে যেতে পারেনি।
সেন্টকম আরও জানায়, এ ঘটনার জবাবে রোববার ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
অন্যদিকে আইআরজিসির নৌবাহিনী দাবি করেছে, তারা জাহাজটির গতিরোধ করেছে। তাদের ভাষ্য, জাহাজটি সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে অনুমোদনহীন পথে চলাচলের চেষ্টা করছিল। এতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছিল এবং অন্য কয়েকটি জাহাজের সঙ্গে অননুমোদিত রুট ব্যবহার করা হচ্ছিল। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা