বাংলাদেশের আকাশের রহস্যময় আলোর রেখা, উৎস নিয়ে যা জানা গেল

০৯ মে ২০২৬, ০৮:০৩ AM
বাংলাদেশের আকাশে দেওয়া যাওয়া আলোর রেখা

বাংলাদেশের আকাশে দেওয়া যাওয়া আলোর রেখা © সংগৃহীত

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের আকাশে শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় দেখা যাওয়া রহস্যময় আলোর রেখা নিয়ে তৈরি হওয়া কৌতূহলের মধ্যে এর সম্ভাব্য উৎস সম্পর্কে নতুন তথ্য সামনে এসেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা প্রায় ৭টার দিকে কক্সবাজারের লাবনী ও সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকায় অবস্থানরত মানুষ হঠাৎ আকাশে লালচে রঙের সরু ও উজ্জ্বল একটি আলোর রেখা দেখতে পান। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই দৃশ্য অনেকেই মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

ঘটনাটি দেখে অনেক পর্যটক প্রথমে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কেউ এটিকে উল্কাপাত মনে করেন, আবার কেউ দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বা মহাকাশীয় বস্তুর কারণে এমন দৃশ্য দেখা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাটি আবহাওয়াজনিত কোনো বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, একই সময়ে ভারতের ওডিশা উপকূলে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ চালানো হয়। সেই ক্ষেপণাস্ত্রের আলোর রেখাই বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের উপকূলীয় কিছু অঞ্চল থেকে দেখা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটি বাংলাদেশের আকাশসীমা অতিক্রম করেনি।

এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র দীর্ঘ দূরত্বে পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম হওয়ায় পরীক্ষাটিকে ভারতের কৌশলগত প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে ভারত সাধারণ বা ‘ডাম্ব’ ওয়ারহেডকে অত্যাধুনিক ‘স্মার্ট’ অস্ত্রে রূপান্তরের প্রযুক্তিও অর্জন করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ডিআরডিও ও ভারতীয় বিমানবাহিনী যৌথভাবে ‘ট্যাকটিক্যাল অ্যাডভান্সড রেঞ্জ আর্মামেন্ট’ বা ‘টারা’ নামের কম খরচের একটি গ্লাইড অস্ত্রেরও সফল পরীক্ষা চালিয়েছে।

কয়েকদিন আগে ডিআরডিও চেয়ারম্যান সামির ভি কামাথ জানিয়েছিলেন, ১০ হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার ভারতের প্রথম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘অগ্নি-৬’-এর পরীক্ষা চালাতে সংস্থাটি প্রস্তুত রয়েছে এবং এখন শুধু সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষা করছে।

এর আগে ৬ থেকে ৯ মে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের বিশাল একটি আকাশসীমা ‘নোটাম’ জারি করে সীমিত করেছিল ভারত সরকার। প্রায় ৩ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার বিস্তৃত এই করিডর সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ইঙ্গিত দিচ্ছিল বলে মনে করেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা।

বিশ্লেষকদের মতে, অগ্নি-৬ সফলভাবে উন্নয়ন ও মোতায়েন করা গেলে তা ভারতের কৌশলগত প্রতিরোধ সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এতে এমআইআরভি প্রযুক্তি থাকতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি ক্ষেপণাস্ত্র থেকে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আলাদা আলাদা ওয়ারহেড নিক্ষেপ করা সম্ভব।

গত এক বছরে ভারত ধারাবাহিকভাবে দীর্ঘপাল্লার ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। সম্প্রতি দেশটি ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পাল্লার দীর্ঘপাল্লার হাইপারসনিক অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্রেরও সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে।

পাবলিক পরীক্ষায় ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ করলে ৫ বছর জেল
  • ১৯ জুন ২০২৬
পেনাল্টি গোলে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা
  • ১৯ জুন ২০২৬
বিএনপির ৫ বারের এমপি হারুন অর রশিদ আর নেই
  • ১৯ জুন ২০২৬
ফের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে নরওয়ের অনন্য ইতিহাস
  • ১৯ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপে দ্রুততমের রেকর্ড চেক প্রজাতন্ত্রের
  • ১৮ জুন ২০২৬
সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ সাউথ আফ্রিকা, লিড নিয়ে বিরতিতে চেক রিপা…
  • ১৮ জুন ২০২৬